
লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়,তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফ। বিদ্যালয়ে পড়ে গিয়ে মাথায় দু’টি সেলাই লাগে। ধীরে ধীরে সে সেরে উঠছে। তবে তার ভয় কাটছে না। শঙ্কিত পরিবারের লোকজনও। পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, আহত হওয়ার পর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় সাইফ এখনো সেরে উঠেনি। সেবা না পাওয়ার ভয় এখনো তার মনে কাজ করছে। আবার কিছু ঘটলে তার বড় ক্ষতি হতে পারে এমন ভয় মনে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুন উপজেলার তন্তরের জেনিথ রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে ক্লাশ চলাকালীন ঢলে পেড়ে আহত হয় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফ। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। সাইফকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রেখে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সাইফের মা প্রভা আক্তার আখাউড়া থানার ওসি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। সাইফের বাবা শামীম মিয়া অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারণে আমার শিশুর এ অবস্থা। তিনি বিষয়টি আমাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে জানান নি। এমনকি দীর্ঘ সময় আমার ছেলেকে বসিয়ে রাখে। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। আমরা জানার পর হাসপাতালে নিয়ে সেলাই করিয়ে আনি। আমার ছেলের মধ্যে এখনো আতঙ্ক কাজ করছে। সে স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে। আমি এর বিচার চাই।তবে প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘সাইফকে আগে চিকিৎসা করাই। যে কারণে পরিবারকে জানাতে দেরি হয়। এটাই তাদের ক্ষোভ। তবে আমি মনে করি তাদেরকে জানানোর চেয়ে আগে চিকিৎসা দেওয়া জরুরি ছিলো। উনি আরো বলেন, তাদের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক থাকলেও কেন থানায় অভিযোগ দিলো, বুঝতে পারছি না।
