
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ঈদগাঁওতে তীব্র লোডশেডিং চলছে। ফলে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন নারী-পুরুষসহ শিশু কিশোরেরা।জানা যায়,ঈদগাঁও বাজারে বিদ্যুৎ বিভ্রান্ট চরমে উঠেছে। দেখার যেন কেউ নেই। বাজারে বিদ্যুৎতের উপর নির্ভরশীল বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে থমকে যাচ্ছেন। কম্পিউটার, ফটো কপি, প্রিন্ট,বরফ মিল,রাইসমিলসহ আরো ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎ যতক্ষণ থাকবে,ততক্ষণ আয়ের চাকা ঘুরবে। বিদ্যুৎ স্থায়ী হচ্ছেনা।এছাড়া বাজার কেন্দ্রীক হাসপাতাল,এক্স-রে,প্যাথলজি সেন্টার ও ডেন্টাল চিকিৎসালয় রয়েছে। ফ্রিজে দামী ইনজেকশন আছে। রোগীর সেবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও রয়েছে। ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের কারনে হাসপাতালের জিনিসপত্র নষ্ট হওয়ার উপক্রম শুরু হয়। ঈদগাঁও উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লাজুড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ীতে ফ্রিজ,রাইস কুকার,মটরসহ বিদ্যুৎতের উপর নির্ভরশীল বহু জিনিস রয়েছে। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের পর থেকে রাত একটা পযন্ত ৬টি বার লোডশেডিং চোখে পড়েছে। যার ফলে শিশু,কিশোরসহ নারী পুরুষরা বিপাকে পড়েন গরমে। চার্জিং ফ্যানও দীর্ঘক্ষন স্থায়ী হয়না।ব্যবসায়ী ছৈয়দ করিম জানান,ঈদগাঁও বাজারও আশপাশ বিদ্যুৎ লোডশেডিং চলছে। ব্যবসার দিকে লক্ষ্য রেখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবী।ঈদগাঁও জোনাল অফিস এ বর্তমান পীক ডিমান্ড ১৯ মেগাওয়াট তার বিপরীতে বরাদ্দ ১০ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ৯ মেগাওয়াট ফলে অর্ধেক লাইন বন্ধ রেখে বাকি অর্ধেক চালু রাখতে হচ্ছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশের কথা জানিয়েছেন পবিস,ঈদগাঁও জোনাল অফিস এজিএম মো: আলমগীর কবির।
