খুলনা, বাংলাদেশ | ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  স্বরাষ্ট্র সচিব ও ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে উপকূলজুড়ে প্রতারণার জাল আশাশুনিতে তোলপাড়
  প্রাইভেট ক্লিনিক সেরে হাজিরা দিতে আসেন ডুমুরিয়া হাসপাতালে সরকারি ডাক্তাররা
  সালথায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দাখিল পরীক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন
  পোকখালীতে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার 
  BPWN Strategic Plan -2024–2027 এর বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  যশোরে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে মুরগির বাচ্চা বিতরণ
  তেরখাদায় পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করায় ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
  পাটকেলঘাটার নায়েব তারক চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ
  রামুর কাউয়ারখোপে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ
  কয়রায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত( ২)

সালথায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দাখিল পরীক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

[ccfic]

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের যদুনন্দী বাজার সংলগ্ন জগজ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইব্রাহীম হোসাইনের বিরুদ্ধে এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া ও বিভিন্নভাবে মানসিক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও)র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই শিক্ষার্থী।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর ধরে মাদ্রাসার সুপার শিক্ষার্থীকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। শিক্ষার্থী তার প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তাকে নানাভাবে মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হয়। এমনকি চলতি দাখিল পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।শিক্ষার্থী অভিযোগে আরও বলেন, দীর্ঘদিন বিষয়টি সহ্য করার পর তিনি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানান। পরে তার মা মাদ্রাসায় গিয়ে সুপারের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে অপমানজনক আচরণ ও গালিগালাজ করে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির কাছেও অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।তবে অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার সুপার মো. ইব্রাহীম হোসাইন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। আমি প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। তদন্তে যদি আমি দোষী প্রমাণিত হই, তাহলে আইন অনুযায়ী যে কোনো শাস্তি মেনে নেব। আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে আমাকে যারা হয়রানি করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”শিক্ষার্থীর মাকে গালিগালাজ করার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি একজন শিক্ষক। কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার প্রশ্নই আসে না।”জগজ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবুল কালাম পিকুল মোল্লা বলেন, “সুপারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগের কথা শুনেছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে, যেন কোনো নির্দোষ ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন না হয়।”এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, “এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগটি পেয়েছি এবং বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT