
নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনা আজ এক মৃতপ্রায় শিল্পনগরী। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে খুলনার কলকারখানাগুলো বন্ধ করে তাদের দোসরদের হাতে তুলে দিয়েছিল। তারা কারখানার মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও গাছপালা লুটপাট করে বিক্রি করে দিচ্ছে,আর শ্রমিকরা আজ অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে মহান মে দিবস উপলক্ষে খুলনা মহানগর শ্রমিক দল আয়োজিত বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।খুলনার শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, খুলনার সকল বন্ধ কলকারখানা পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা অচিরেই বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে মনা বলেন,শহীদ জিয়া নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। তিনি বলতেন,আমি একজন শ্রমিক এবং শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তাঁর সেই আদর্শ লালন করেই আমরা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ৭১-এর পরাজিত শক্তি এবং ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলের শাসকরা আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আপনাদের সজাগ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী,সমৃদ্ধ ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠছে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফেরিঘাট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মহানগর শ্রমিক দলের আহŸায়ক মোঃ মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু ও হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, হাবিব বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি, সৈয়দা নার্গিস আলী, হালিমা খাতুন, সজীব তালুকদার, কাজী জলিল, জাকির ইকবাল বাপ্পি, বিপ্লব রহমান কুদ্দুস, শ্রমিক দল নেতা সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, জিএম মাহবুবুর রহমান, কাজী শহিদুল ইসলাম, মোল্লা আকরাম হোসেন, রাহুল চিশতি, মিজান শিকদার, জেয়াদুল ইসলাম ও বদিউজ্জামান প্রমুখ।
