খুলনা, বাংলাদেশ | ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ায় নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ঘিরে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
  তেরখাদার মধুপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে এডভোকেট শহিদুল ইসলাম,এলাকাবাসীর আস্থা ও সমর্থনে এগিয়ে
  খুলনা বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৪
  চলছে ভোটগ্রহণ, অনেক কেন্দ্রে নেই ভোটার
  তেরখাদা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রমিজ
  দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি’র সম্ভাব্য ৪ প্রার্থীর প্রচারণা, জামায়াতের একক
  রূপসার ঘাটভোগে বিএনপির পরীক্ষিত মুখ জুয়েল, চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতি
  আবু সাঈদ হত্যা ট্রাইব্যুনালে ৬ আসামি, সরাসরি সম্প্রচার হবে রায়
  বেগম জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মহানগর মহিলা দলের দোয়া
  খুলনায় গ্লুকোমা রোগের চিকিৎসা পাচ্ছে মাত্র ১০ শতাংশ, অন্ধত্বের ঝুঁকিতে অধিকাংশ রোগী

খুলনা বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৪

[ccfic]

রাসেল আহমেদ: খুলনা বিভাগজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে জনস্বাস্থ্য খাতে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৭৪ জন।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, মৌসুমি পরিবর্তন এবং সংক্রামক রোগের বিস্তার এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত (তিন মাস সাত দিনে) খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ৩৬২ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কুষ্টিয়া জেলায়—১০৯ জন। এ জেলায় হামের উপসর্গে এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য বলছে, যশোরে নতুন তিনজনসহ মোট ৭৬ জন, খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় নতুন ছয়জনসহ মোট ৬৮ জন, মাগুরায় নতুন ১০ জনসহ মোট ৪৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাটে নতুন ১৭ জনসহ ২১ জন, চুয়াডাঙ্গায় নতুন দুজনসহ আটজন, ঝিনাইদহে নতুন চারজনসহ ছয়জন, মেহেরপুরে নতুন দুজনসহ ১২ জন এবং সাতক্ষীরায় নতুন পাঁচজনসহ মোট ১৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন।অন্যদিকে, খুলনা জেলায় মোট চারজন এবং নড়াইল জেলায় ২১ জন রোগী থাকলেও গত ২৪ ঘণ্টায় এই দুই জেলায় নতুন কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মুজিবর রহমান জানান, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিনের তথ্য সংগ্রহ করে তা সমন্বয় করা হচ্ছে এবং বিকেল সাড়ে ৫টার পর ঢাকায় পাঠানো হয়।তিনি বলেন, আক্রান্তের দিক থেকে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকা বর্তমানে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT