খুলনা, বাংলাদেশ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
  কোচিং-নোট গাইড বন্ধ করে দেব: ববি হাজ্জাজ
  শিক্ষার্থীদের কাছে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেয়া হবে: মাহদী আমিন
  সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের বেতন কত, পান কী কী সুবিধা?
  ট্রাম্পের হুমকিতেও অনড় ইরান, শঙ্কা থাকলেও বৈঠকের ইঙ্গিত
  একই পরিবারের ৪ জন খুন, মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য
  তেরখাদায় সাংবাদিক ও কৃষি উদ্যোক্তার ওপর হামলা-ছিনতাই, থানায় অভিযোগ
  ২৪ ঘণ্টায় সাত খুন, জামায়াত আমিরের ক্ষোভ
  বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, শেয়ারবাজারে অস্থিরতা
  যুদ্ধে ১৩০০ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত, তবুও থেমে থাকেনি ইরানের শিক্ষা কার্যক্রম

গোদাগাড়ীর আষাড়িয়াদহে ১২৪ শিক্ষার্থী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না

[ccfic]

সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার :

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দীপচর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ১২৪ জন শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক শিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এলাকায় থাকা মাত্র দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আসনসংকটের কারণে তারা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না।

পদ্মা নদীর ওপারে ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে মোট আটটি। এসব বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করা শিক্ষার্থীরা সাধারণত দিয়াড়মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয় ও চর আষাড়িয়াদহ কানাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। তবে চলতি বছর শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় প্রতি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করায় সংকট তৈরি হয়েছে।

দিয়াড়মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি এবং চর আষাড়িয়াদহ কানাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি শাখা থাকায় সর্বোচ্চ ১৬৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া সম্ভব। অথচ দুটি বিদ্যালয়ে মোট আবেদন জমা পড়ে ২৮৯টি। ফলে ১২৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

ভর্তিবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাহারা খাতুনের বাবা শাহাদত হোসেন বলেন, “লটারিতে মেয়ের নাম ওঠেনি। নদীর ওপারে পাঠানোর সামর্থ্যও নেই। এখন মেয়ের পড়াশোনা কীভাবে চলবে জানি না।” একই দুশ্চিন্তার কথা জানান ব্যবসায়ী চাহারুল ইসলাম ও নেসার আলী। তাদের আশঙ্কা, ভর্তি না হলে অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দিয়াড়মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান জানান, আগে নিয়ম শিথিল থাকলেও এবার শিক্ষা বোর্ড কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি শাখা বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন, তবে চলতি শিক্ষাবর্ষেই অনুমোদন মিলবে কি না তা অনিশ্চিত। চর আষাড়িয়াদহ কানাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজগর আলীও একই ধরনের সীমাবদ্ধতার কথা জানান।

এ বিষয়ে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আ. ন. ম. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, চর আষাড়িয়াদহে ভর্তিজটিলতার বিষয়টি তিনি অবগত। বিদ্যালয়গুলো শাখা বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলে বোর্ড দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে মতামত দেবে। এতে আশা করা যায়, চলতি শিক্ষাবর্ষেই নতুন শাখা খুলে শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া সম্ভব হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT