খুলনা, বাংলাদেশ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

ডুমুরিয়ায় অসাধু সিন্ডিকেটে অস্থির সবজির বাজার: তদারকির অভাবে দিশেহারা ক্রেতারা

[ccfic]

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):

খুলনার কৃষি সমৃদ্ধ ডুমুরিয়া উপজেলা হিসেবে পরিচিত ডুমুরিয়ার স্থানীয় বাজারে কাঁচাসবজির দাম হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক হারে বাড়তে শুরু করেছে। ডুমুরিয়া সদর, চুকনগর, খর্ণিয়া ও আঠারমাইলসহ বিভিন্ন খুচরা বাজারে গত কয়েকদিনের ব্যবধানে সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত বাজার তদারকি না থাকায় এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে হু হু করে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। বর্তমানে বাজারে বেগুন, পটল, ঝিঙে, করলাসহ অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দামও চড়া। খেত থেকে কম দামে সবজি হাতবদল হলেও খুচরা বাজারে পৌঁছাতে তা দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। ক্রেতার ক্ষোভ:চুকনগর বাজারে বাজার করতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—”বাজারে সবজির অভাব নেই, কিন্তু দাম আকাশছোঁয়া। সামান্য দু-তিন পদের সবজি আর একটু কাঁচামরিচ কিনতেই পকেট খালি হয়ে যাচ্ছে। আড়তদার আর খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছে। প্রশাসন বা বাজার তদারকি কমিটির কোনো ভূমিকা আমরা চোখে দেখছি না। তদারকির অভাবে আমরা সাধারণ ক্রেতারা দিশেহারা।”বাজারের এক খুচরা সবজি বিক্রেতা মোনাজাত শেখ বলেন—”আমাদের বেশি দামে কিনে বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজার ও আড়তদারদের হাতবদল হতে হতেই দাম বেড়ে যায়। আড়তে দাম কমলে আমরাও কমে বেচতে পারি। নিয়মিত পাইকারি ও আড়ত পর্যায়ে তদারকি করা হলে দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।”এব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার বলেন—“বাজারের নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী বা সিন্ডিকেট যদি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সবজির দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। খুব শিগগিরই বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।“প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপর দাবি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ডুমুরিয়া অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে সবজি উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু চক্রের কারণে স্থানীয় বাজারগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মনিটরিং জোরদার করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন ডুমুরিয়াবাসী।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT