খুলনা, বাংলাদেশ | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  গোমস্তাপুরে ৭ লিটার চোলাইমদসহ নারী গ্রেফতার
  ঈদগাঁও ৩নং ওয়ার্ড যুব বিভাগের কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা সভা
  মা ও শিশু পুষ্টি নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা কেসিসি’র দায়িত্ব
  ডুমুরিয়ায় গ্রীন ফোর্সের উপজেলা কমিটি, আহ্বায়ক ফয়সাল ও সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর
  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা

দেশজুড়ে শুরু জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন

[ccfic]

ডেস্ক :

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন-২০২৬ রোববার (২৮ জুন) শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।কর্মসূচি বাস্তবায়নে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটসহ প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা দায়িত্ব পালন করবেন।নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তা গ্রহণের সুযোগ থাকবে। এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।বাংলাদেশে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ১৯৭৩ সালে প্রথম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কর্মসূচি চালু হয়, যা তখন জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে এটি যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন নামে পৃথক কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হয়।২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত চলমান ছিল। এরপর এটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও ২০২৬ সালে পুনরায় জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT