খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ঈদ-পরবর্তী দিনে ভৈরবগঞ্জ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা কম,
  মাদারীপুরে এক পাগলী মা হলেন, তবে পরিচয় মেলেনি সন্তানের বাবার
  মাদারীপুরের শিবচরে চলন্ত বাস থেকে পড়ে যাত্রীর মৃত্যু
  খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত
  ঈদের দিন স্ত্রী কুপিয়ে হত্যা
  মুসলিমদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন পুতিন
  দিনাাজপুর বীরগঞ্জে প্রেসক্লাবেএমপি মহোদয়ের আগমন-শুভেচ্ছা স্বাগতম ও ঈদ মোবারক
  মৌলভীবাজার এর গিয়াসনগর ইউনিয়নের আকবরপুর শাহী ঈদগাহ ময়দানে দীর্ঘদিন পর ঈদুল আযহার জামাত
  ঈদে মুসলমানদের পাশে সনাতনী নেতা নিত্যানন্দ মন্ডল
  সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২ জন নিহত আহত ৩০

ঈদ-পরবর্তী দিনে ভৈরবগঞ্জ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা কম,

[ccfic]

সাংবাদিক শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ:

ঈদ-পরবর্তী চাপে ভৈরবগঞ্জ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা কম, নির্দিষ্ট পশু-পাখির হাটজায়গার দাবি ব্যবসায়ীদেরশ্রীমঙ্গল থানার খালাপুর ইউনিয়নের ভৈরবগঞ্জ বাজারে ঈদ-পরবর্তী সময়ে আজ শনিবার ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উদযাপন শেষে অনেক ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ পারিবারিক দাওয়াত ও বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাওয়ায় বাজারে স্বাভাবিক ভিড় কিছুটা কমে যায়। ফলে আজকের দিনে বাজারের পূর্বের সেই স্বাভাবিক সরগরম পরিবেশ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।তবে স্থানীয়দের মতে, এই বাজারে সাধারণত সবসময়ই মানুষের ভিড় লেগে থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে বাজারটি নিয়মিতভাবে সরগরম ও জমজমাট থাকে। বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার এখানে হাঁস, মুরগি, ছাগল, কবুতরসহ বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখির হাট বসে, যা ভৈরবগঞ্জ বাজারকে জেলার একটি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।গ্রাম-গঞ্জ থেকে প্রতিদিনই অনেক মানুষ এই বাজারে আসে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা, এমনকি দূরদূরান্ত থেকেও ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আগমনে বাজারটি সাধারণত সরগরম ও জমজমাট থাকে। বাংলাদেশজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে এই বাজারটির পরিচিতি রয়েছে, দেশের নানা প্রান্তের মানুষ এ বাজার সম্পর্কে জানেন এবং অনেকেই এখানে ব্যবসা ও কেনাকাটার জন্য আসেন। এর ফলে ভৈরবগঞ্জ বাজারটি স্থানীয় পর্যায় ছাড়িয়ে একটি পরিচিত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারটি নামকরণে পরিচিত হলেও পশু-পাখি বিক্রির জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট সরকারি হাটজায়গা নেই। নির্ধারিত স্থান না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে ব্যক্তিগত বা ভাড়া নেওয়া জায়গায় হাঁস, মুরগি, ছাগল, কবুতরসহ বিভিন্ন পশু-পাখি নিয়ে হাটে বসেন, যা তাদের জন্য নানা ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।তারা আরও জানান, বাজারে একটি নির্দিষ্ট সরকারি হাটজায়গা বরাদ্দ করা হলে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন এবং বাজার ব্যবস্থাপনাও আরও সুশৃঙ্খল হবে।স্থানীয়রা আরও দাবি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতি তাদের আহ্বান—ভৈরবগঞ্জ বাজারে পশু-পাখি বিক্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট সরকারি জায়গা বরাদ্দ করা হোক, যাতে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়।স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ঈদের ছুটি শেষে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু হলে আবারও ভৈরবগঞ্জ বাজারে আগের মতোই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT