
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম -স্টাফ রিপোর্টার// খুলনার রূপসা উপজেলার ৩নং নৈহাটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড (নেহালপুর-দেবীপুর) এলাকার সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. রাকিব শেখ।তিনি পহেলা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থিতা ও পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেছেন।মো. রাকিব শেখ তিনি ছাত্র রাজনীতির রাজপথ থেকে উঠে আসা এক পরীক্ষিত মুখ। তিনি ইতিপূর্বে নৈহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, রূপসা থানা ছাত্রদলের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং খুলনা মহানগর এম এম সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও তিনি একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে এলাকায় সমাদৃত। তিনি আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত ‘নেহালপুর ব্লাড ব্যাংক এন্ড ওয়েলফেয়ার সংস্থা’-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং খুলনা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (কেডিএস)-এর সাংগঠনিক সচিব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে রাকিব শেখ বলেন, “আমি পদ-পদবির মোহ থেকে নয়, বরং এলাকার অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ৬নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।তিনি বলেন, নেহালপুর ও দেবীপুর গ্রামের প্রতিটি মানুষের বিপদে-আপদে আমি সবসময় পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই।সরকারি অনুদান ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি ভোগ করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “নতুন বছর সবার জীবনে সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। আমি আমার এলাকার মুরুব্বি, তরুণ সমাজ ও মা-বোনদের কাছে দোয়া এবং সমর্থন প্রত্যাশা করছি।এছাড়াও রাকিব শেখ-অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি পরিচিত মুখ। বিএনপির দুর্দিনে আন্দোলন-সংগ্রাম, হরতাল ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে নিজেকে প্রমাণ করেছেন বলে জানা গেছে। এসব কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে গিয়ে তাকে হামলা, মামলা ও নানা ধরনের নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি।পারিবারিকভাবেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে উপজেলায় তাদের পরিবারটি ‘বিএনপি পরিবার’ হিসেবে পরিচিত। ফলে দলীয় তৃণমূল নেতাকর্মী গ্রাম বাসীদের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্যক্তিগত জীবনে সহজ-সরল আচরণ এবং মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতা তাকে অন্যদের তুলনায় আলাদা করেছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে উক্ত ওয়ার্ডে মেম্বার পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালের একজন কর্মী হিসেবে নিজ ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী মডেল ওয়ার্ডে রূপ দিতে চান তিনি।নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ৬ নং ওয়ার্ডের রাজনৈতিক উত্তাপ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতার পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে নানা হিসাব-নিকাশ, যা নির্বাচনের আগাম চিত্রকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে।এলাকা বাসীর মতে, একজন শিক্ষিত, তরুণ ও পরোপকারী নেতৃত্ব হিসেবে রাকিব শেখের আগমনে ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
