
নিজস্ব প্রতিনিধী:- নাঈম হাসান,চিতলমারী
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫নং চিতলমারী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আস্থা, ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন খাঁন মোঃ মনিরুজ্জামান। সাধারণ মানুষের হৃদয়ে তিনি এখন এক আস্থার নাম।সরেজমিনে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা গেছে, চায়ের দোকান, হাট-বাজার, মসজিদ-মন্দির সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে খাঁন মোঃ মনিরুজ্জামান। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি সমানভাবে গ্রহণযোগ্য।স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তার এই জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।ইউনিয়নের কোনো মানুষ অসুস্থ হলে, কেউ বিপদে পড়লে সবার আগে খাঁন মোঃ মনিরুজ্জামানকে পাশে পাওয়া যায়। করোনাকালীন সময়ে তার ত্রাণ বিতরণ ও আর্থিক সহায়তা এখনো মানুষের মুখে মুখে।তিনি ইউনিয়নের যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করেন। শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য তিনি সবসময় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকেন। তাই তরুণদের কাছে তিনি আইকন।হিন্দু-মুসলিম সবার কাছে তিনি সমান প্রিয়। প্রতিটি দুর্গাপূজায় মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে তিনি নিজে পাহারা দেন, খোঁজ-খবর নেন। মসজিদ-মন্দিরের উন্নয়নে তার নিরব সহযোগিতা সবার জানা।এলাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বা ভূমি দখলের অভিযোগ নেই। একজন সৎ, নির্লোভ ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে।এ বিষয়ে ৫নং চিতলমারী সদর ইউনিয়নবাসী জানান “মনিরুজ্জামান ভাই শুধু একজন প্রার্থী নন, তিনি আমাদের পরিবারের একজন। ভোটের জন্য নয়, তিনি সারা বছর আমাদের পাশে থাকেন। তাই আমাদের আস্থা তার ওপর।””আমরা হিন্দু-মুসলিম সবাই মনিরুজ্জামান ভাইকে ভালোবাসি। তিনি কখনো ধর্ম দেখে মানুষকে বিচার করেন না। তার মতো মানুষ চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নে শান্তি থাকবে।”খাঁন মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, “আমি চেয়ারম্যান হতে চাই না, আমি আপনাদের সেবক হতে চাই। আপনাদের ভালোবাসাই আমার শক্তি। আপনারা যদি আমাকে একবার সুযোগ দেন, আমি আপনাদের আস্থার মর্যাদা রাখবো এবং এই ইউনিয়নকে একটি মডেল ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।”রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, জনপ্রিয়তার এই জোয়ার যদি ভোট পর্যন্ত থাকে, তবে খাঁন মোঃ মনিরুজ্জামানের বিজয় নিশ্চিত।
