
নিজস্ব প্রতিনিধি:আবিদুর রহমান আলিফ,
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর বিস্তার প্রতিরোধে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান ও আবাসিক হলের আশপাশের ঝোপ-ঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার করার পাশাপাশি ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ।প্রধান অতিথি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজার প্রফেসর ড. নুরুন্নবী , খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মাহাবুবুর রহমান,
অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু সালেহ মোঃ পারভেজ,এস্টেট শাখা প্রধান ও অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোহাম্মদ আলী,,খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শারীরিক চর্চা বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন, প্রশাসন শাখার প্রধান জাবেদ এলাহী, ট্রেজারের সচিব এস, আতিকুর রহমান ,উপাচার্য কার্যালয় সচিব মিজানুর রহমান মুকুল, শাখা প্রধান অডিট সেল এস এম আব্দুল্লাহ শাহানুর কবির ,আবাসিক হলসমূহে চলমান মশক নিধন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে কার্যক্রমের অগ্রগতি ও হলগুলোর সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।পরিদর্শনকালে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাদের সুস্থতা ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।’তিনি বলেন, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসিক কক্ষ পরিদর্শন করে কোথাও পানি জমে আছে কি না কিংবা মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান উপাচার্য। বিশেষ করে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের আশপাশে যাতে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
