খুলনা, বাংলাদেশ | ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।
  কয়রার কাছারি বাড়ীর বটতলায় ১০দিন ব্যাপী বৃক্ষ মেলা অনুষ্ঠিত।
  আলী আসগর লবীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল
  ঈদগাঁওতে নতুন পর্যটন স্পট মাইজ পাড়া ভিউ পয়েন্টে বিনোদন প্রেমীদের ভীড় 
  ডুমুরিয়ার ১৪ ইউনিয়নে সবুজ বনায়ন কর্মসূচি ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ শুরু
  দাকোপের ব্র‍্যাকের উদ্যোগে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
  জালালাবাদে মোহাম্মদিয়া রওদ্বাতুত তাকওয়া মাদ্রাসায় হিফজ সবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
  বিল ডাকাতিয়ায় হাঁটুপানিতে জনজীবন, নৌকায় স্কুলে শিশুরা খাবার-পানি ও গোখাদ্য সংকট, স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি
  অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুর পরিবারের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সেমিনারে: খুলনা জেলা প্রশাসক  

নজরদারির বাইরে ডুমুরিয়া: জরিমানাতেও থামছে না চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ

[ccfic]

ডেস্ক :

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত চিংড়ি রপ্তানিকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়ে ডুমুরিয়ায় গড়ে উঠেছে চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশের একটি গোপন আস্তানা। দিনের আলো ফুরাতেই নির্জন এলাকায় টিনশেডের একটি ঘরের দরজা বন্ধ করে শুরু হয় গলদা ও বাগদা চিংড়িতে জেলি ও অন্যান্য অপদ্রব্য ঢোকানোর কাজ। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের চোখের সামনেই বছরের পর বছর ধরে চলা এ প্রতারণার নেপথ্যে রয়েছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, চুকনগর মডেল মহিলা কলেজ সড়কে জনৈক ইছোবরণ এর ধানের মিলের পাশে টিনশেডের ওই ঘরটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে অপদ্রব্য পুশিং সেন্টারথ হিসেবে। প্রতিদিন বিকেল সাড়ে ৩টার পর বিভিন্ন স্থান থেকে চিংড়ি এনে সেখানে জমা করা হয়। এরপর বাইরে থেকে দরজা আটকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে অপদ্রব্য পুশের কাজ। পুরো প্রক্রিয়াটি চলে অনেকটা গোপন কারখানার আদলে।স্থানীয়দের ভাষ্য, চুকনগর বাজার এবং মৎস্য আড়ত থেকে বেশ দূরে গোলাম রোডের মাথার নির্জন স্থানটি ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের নজর এড়ানো যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এখানে অবৈধ কার্যক্রম চললেও রহস্যজনক কারণে তা বন্ধ হয়নি।স্থানীয় চিংড়ি ব্যবসায়ী মেহেদী এই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তার নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ গলদা ও বাগদা চিংড়িতে জেলি জাতীয় পদার্থ পুশ করে কৃত্রিমভাবে ওজন বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে এসব চিংড়ি বাজার ও বিভিন্ন আড়তে সরবরাহ করা হয়।হয়।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ শুধু ভোক্তা প্রতারণা নয়; এটি দেশের রপ্তানি খাতের জন্যও মারাত্মক হুমকি। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এ ধরনের অপকর্ম।সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এর আগেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে একই অপরাধে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়। কিন্তু সেই শাস্তি কার্যত কোনো প্রভাব ফেলেনি। বরং অভিযোগ উঠেছে, জরিমানার পরও আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই অবৈধ ব্যবসা।এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার দায়ে আগে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছিল। নতুন করে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। খুব শিগ্গিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT