খুলনা, বাংলাদেশ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে রঘুনাথপুর ইউনিয়নে প্রস্তুতি সভা
  ডুমুরিয়ার ১৮ মাইল বাজারে এমপি লবি ও তার সহধর্মিণীর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল
  খর্নিয়া হাইস্কুলে সাবেক ছাত্রদল নেতা মোজাহিদ সভাপতি নির্বাচিত
  কেশবপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ।
  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে KU Insiders-এর টানা ৩য় বারের মতো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত:
  খুলনায় মাদক ও আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে জোড়া খুন, গ্রেপ্তার ৩
  জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা
  ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার
  মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন হাজীগঞ্জের জুম্মান

অবৈধ নেট-পাটা উচ্ছেদ ও নদী-খালের প্রবাহ ফেরাতে ডুমুরিয়ায় তৎপরতা: গলদা-বাগদা চাষে নতুন সম্ভাবনার আশা

[ccfic]

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা) 

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বিল ও নদী এলাকার স্বাভাবিক পানির প্রবাহ ফিরিয়ে এনে চিংড়ি চাষে গতি ফেরাতে একাধিক ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি জলাশয় থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, ক্ষতিকর নেট-পাটা অপসারণ এবং আধুনিক মৎস্য চাষ পদ্ধতির প্রসারে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়ার বিভিন্ন নদী ও খালে অবৈধ বাঁধ ও নেট-পাটা দেওয়ার কারণে এতদিন পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। এর ফলে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ চিংড়ি চাষিরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছিলেন না। এ পরিস্থিতি নিরসনে সম্প্রতি অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “ডুমুরিয়া অঞ্চলে মাছ ও চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা প্রচুর। তবে খাল-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া এবং ক্ষতিকর জালের ব্যবহারে পোনা ও মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। আমরা নদী ও খালের অবৈধ বাঁধ, নেট-পাটা উচ্ছেদে কঠোর অবস্থান নিয়েছি এবং বিভিন্ন স্থানে অভয়ারণ্য তৈরির কাজ করছি। একই সাথে চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তিতে মানসম্মত গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা ও চাষিদের সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে ডুমুরিয়ায় চিংড়ির উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে।”সরকারি জমি ও জলাশয় দখলমুক্ত করার বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন, “নদী ও খাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এগুলো সাধারণ মানুষের যৌথ সম্পদ। অবৈধভাবে বাঁধ বা নেট-পাটা দিয়ে জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ আটকে রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমরা মৎস্য দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সরকারি খাল ও নদীগুলোকে উন্মুক্ত করা হচ্ছে, যাতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকে এবং প্রকৃত চাষিরা উপকৃত হতে পারেন। সরকারি জলাশয় অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের এই যৌথ উদ্যোগে এলাকায় ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। স্থানীয় চিংড়ি চাষিরা আশা প্রকাশ করছেন, সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডুমুরিয়ায় গলদা ও বাগদা চিংড়ির উৎপাদনে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT