খুলনা, বাংলাদেশ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।
  কয়রার কাছারি বাড়ীর বটতলায় ১০দিন ব্যাপী বৃক্ষ মেলা অনুষ্ঠিত।
  আলী আসগর লবীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল
  ঈদগাঁওতে নতুন পর্যটন স্পট মাইজ পাড়া ভিউ পয়েন্টে বিনোদন প্রেমীদের ভীড় 
  ডুমুরিয়ার ১৪ ইউনিয়নে সবুজ বনায়ন কর্মসূচি ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ শুরু
  দাকোপের ব্র‍্যাকের উদ্যোগে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
  জালালাবাদে মোহাম্মদিয়া রওদ্বাতুত তাকওয়া মাদ্রাসায় হিফজ সবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
  বিল ডাকাতিয়ায় হাঁটুপানিতে জনজীবন, নৌকায় স্কুলে শিশুরা খাবার-পানি ও গোখাদ্য সংকট, স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি
  অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুর পরিবারের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সেমিনারে: খুলনা জেলা প্রশাসক  

খুলনার বিএনপি নেতাদের টার্গেট, কারা চালাচ্ছে মিডিয়া ট্রায়াল?

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :

গত কয়েক মাসের মধ্যে খুলনার বিএনপির ৪ জন শীর্ষ নেতাকে পরিকল্পিতভাবে “মিডিয়া ট্রায়ালের” শিকার হতে হয়েছে। জেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারী সাংবাদিকদের ব্যবহার করে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।উল্লেখ্য ” ১) খুলনা মহানগর যুবদলের নেতা নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর এক ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে ফোন করেন। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুরো ঘটনা না জেনেই একটি মহল সাগরকে নিয়ে পত্রিকায় “চাঁদাবাজির অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। পরে ব্যবসায়ী নিজেই জানান, এটি পাওনা টাকার বিষয় ছিল। কিন্তু ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচার ছড়িয়ে পড়ে।২) খুলনা সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মোল্লাকে রীতিমতো এরশাদ শিকদারের সাথে তুলনা করে ঢালাওভাবে সংবাদ প্রচার করা হয়। চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ নানা অভিযোগ তোলা হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, ভুয়া ও বেনামে অভিযোগ দিয়ে তাকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিডিয়া ট্রায়াল করা হয়েছিল।৩) খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পির বিরুদ্ধে ডুমুরিয়ার রাজস্বের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়ানো হলেও পরে দেখা যায়, অভিযোগের সেই টাকা জেলা পরিষদের কোষাগারেই জমা রয়েছে।৪) খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে নিয়ে বলা হয়, প্রশাসকের কাছের মানুষদের কাজ দেওয়া হয়েছে। অথচ যারা কাজ পেয়েছেন তারা সবাই কেসিসির বৈধ ঠিকাদারি লাইসেন্সের মাধ্যমেই কাজ করছেন এবং কাজে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি। তারপরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে -অনুসন্ধানে রূপসার মোল্লা জাহাঙ্গীর আলমের- মতামত পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, খুলনার রাজনীতিতে যারা মাঠে সক্রিয়, তাদেরকে বিতর্কিত করতেই এই ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সত্য উদঘাটন না করে শুধু অভিযোগ প্রচার করা হলে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা অনেকটাই কমে যাবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT