খুলনা, বাংলাদেশ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।
  কয়রার কাছারি বাড়ীর বটতলায় ১০দিন ব্যাপী বৃক্ষ মেলা অনুষ্ঠিত।
  আলী আসগর লবীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল
  ঈদগাঁওতে নতুন পর্যটন স্পট মাইজ পাড়া ভিউ পয়েন্টে বিনোদন প্রেমীদের ভীড় 
  ডুমুরিয়ার ১৪ ইউনিয়নে সবুজ বনায়ন কর্মসূচি ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ শুরু
  দাকোপের ব্র‍্যাকের উদ্যোগে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
  জালালাবাদে মোহাম্মদিয়া রওদ্বাতুত তাকওয়া মাদ্রাসায় হিফজ সবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
  বিল ডাকাতিয়ায় হাঁটুপানিতে জনজীবন, নৌকায় স্কুলে শিশুরা খাবার-পানি ও গোখাদ্য সংকট, স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি
  অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুর পরিবারের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সেমিনারে: খুলনা জেলা প্রশাসক  

টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে জনভোগান্তি চরমে ঈদগাঁও বাজারবাসীর 

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

ঈদগাঁও বাজার এটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য কেন্দ্র। টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে বাজার বাসীকে চরম জনভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।চলমান বর্ষা মৌসুমে ময়লা আবজনায় ফেলার ফলে ডিসি সড়কের একপাশে নির্মিত ড্রেন দিয়ে পরিপূর্ণ পানি চলাচলের করতে না পারায় সেই পানি বাজার কেন্দ্রীক অলিগলিতে থমকে থাকে।বাজারে অসংখ্য বহুতল ভবন থাকলেও নেই তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পানি নিস্কাশনে সু-ব্যবস্থা।দক্ষিণ চট্টলার বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাটি এখন অদূরদর্শী নকশার ফাঁদে বন্দি। ব্যবসা বাণিজ্য,আয়তন, জনসংখ্যা,রাজস্ব,ক্রমবর্ধমান ভৌত অবকাঠামো বিবেচনায় পৌরসভায় উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এটি থেকে পিছিয়ে ঈদগাঁও। দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজার ও পার্শ্ববর্তী বাজার সংযুক্ত গ্রামগুলোর বৃষ্টির পানি,বন্যার পানি ও দৈনন্দিন (পয়ো:বর্জ্য) পানি নিষ্কাশনের একটি রুট ছিল। বাজারের জমা পানি এবং পয়ো:জল ঈদগাঁও আলমাছিয়া মাদ্রাসার পূর্বপাশ থেকে বয়ে যাওয়া নাশিখাল দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে সাগরে কিংবা মূল অববাহিকায় নেমে যেত।নাশিখাল সাথে সংযুক্ত সে চিরচেনা প্রাকৃতিক পথটিকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে,বাসস্টেশন থেকে ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণপাশস্থ (বঙ্কিম বাজার) ঘুরে পশ্চিমে ঈদগাঁও নদীর দিকে দীর্ঘ একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়। এখন সেটি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।আরও দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারের প্রাণকেন্দ্র ‘ডিসি রোড’-এর উভয় পাশে বাস স্টেশন থেকে শুরু করে বঙ্কিম বাজার পর্যন্ত গড়ে উঠেছে শত শত বহুতল ভবন।কোন প্রকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়াই গড়ে ওঠা এসব বহুভবনের অধিকাংশেরই নিজস্ব পানি নিষ্কাশন বা পয়ো:নিষ্কাশনের ন্যুনতম কোন ব্যবস্থা নেই। ঐসকল ভবনের ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি সুনির্দিষ্ট ড্রেনে না ফেলে,পাইপের মুখ সরাসরি এনে ছেড়ে দেওয়া হয় ব্যস্ততম ডিসি রোডের ওপর। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে কিংবা ভবনের ওপর জমে থাকা পানি সরাসরি হেঁটেচলা পথচারী, দোকানপাটের উপর উপচে পড়ছে।  অপরিকল্পিত ও নাগরিক ভোগান্তি সৃষ্টিকারী ব্যবস্থা প্রকাশ্যে চলে আসলেও তা দেখার যেন কেউ নেই। প্রধান সড়কের ওপর বহুতল ভবনের এই অপরিকল্পিত ও নাগরিক দূর্ভোগ সৃষ্টিকারি পানির পতন একদিকে যেমন সড়ক নষ্ট করছে, অন্যদিকে বাজারের মূলড্রেনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে জলাবদ্ধতাকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।জালালাবাদের সওদাগর পাড়ার হাবির উল্লাহ বেপারী জানান, কোটি টাকা দিয়ে ব্যক্তিগত বসতবাড়ি ও দোকানপাট নির্মাণ করছি। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের পথ রাখছিনা। ঈদগাঁও বাজার জলাবদ্ধতাসহ ময়লা-আবর্জনার জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। তেলীপাড়া কয়জন পথচারীর মতে, ড্রেনের কারনে বৃষ্টিপাতে খালপাড়ের লোকজনকে মরণ দশায় ভোগতে হয়। সচেতন মহলের দাবী, বাজার কেন্দ্রীয় পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা দূরীকরনে পরিকল্পনা মোতাবেক টেকসই ড্রেনেজের বিকল্প নেই। ঈদগাঁও ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা এনামুল হক ইসলামবাদী জানান, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারনে খালের পানি ডিসি সড়কে। তদারকির মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ দাবী। বাজারের ব্যবসায়ী জাহেদুল করিম জানালেন, বাজার কেন্দ্রীয় পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা সমাধান করা জরুরী। উল্লেখ্য যে,১৯৯৩ সাল থেকে ঈদগাঁও (ফুলেশ্বরী নদী) নদীর চরপাড়া পয়েন্ট, ২০১৫ সাল থেকে পোকখালী পয়েন্ট ওপর নির্মিত দুইটি রাবার ড্যাম দিয়ে বৃহত্তর ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নও পার্শ্ববর্তী চৌফলদণ্ডী ইউপির হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির বোরো চাষ, শীতকালীন সবজি চাষের সেচ নিয়ন্ত্রিত হয়।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT