খুলনা, বাংলাদেশ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

ঈদগাঁও বাজারে সবজির তিনগুন দাম : মাছেও স্বস্তি নেই, বিপাকে ক্রেতারা 

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

ঈদগাঁও বাজারে কয়দিন ধরে সবজির তিনগুন দামে বিক্রি করা হচ্ছে। মাছেও স্বস্তি নেই। চরম বিপাকে পড়েছেন নিন্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদগাঁও কাঁচাবাজার,মাছ বাজার ঘুরে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।বাজারসূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁওয়ের এ বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ২০০,শসা ১০০, বেগুন ১ ৬০ টাকা,করলা ১৬০ টাকা,টমেটো ১৪০,ঢেঁড়স ১২০,গাজর ১৪০,কচু ৬০,আলু ৩০ ও পেঁপে ৩০ টাকা বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। এদিকে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি চলছে বাজারে।মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়,পাঙ্গাশ কেজি প্রতি  ১৭০, তেলাপিয়া ২৪০ /২৬০,ছোট বাটা কেজি ৩০০/৩৫০ টাকা বিক্রি করা হয়। অন্যন্য মাছও আকারভেদে নানান চড়াদামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। কাঁচামাল ব্যবসায়ী জানান, দোহাজারী বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে এনে এখানে বিক্রি করছিমালামাল কেনার আগে দোহাজারী কাঁচামালের মাঠে দালালকে টাকা দিয়ে মাল কিনতে হয়। বৃষ্টিতে ক্ষেতখামার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সবজির সরবরাহ ভালো নেই। চড়া দামে কিনতে হচ্ছে।খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ী ইমন জানান, কাঁচা তরিতরকারীর দাম বৃদ্ধির কারনে আপাততে কম দামের সবজি এনেছি বিক্রি করতে। ১শত টাকার নিচে তরকারী নেই ঈদগাঁও বাজারে।আরেক তরকারী ব্যবসায়ী জানান, বৃষ্টির মাঝে তরকারী পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছেন। যেই দামে কেনা, সে দামে বিক্রি করতেও পাচ্ছিনা তরকারী। আজিম,তাহেরসহ কজন ক্রেতা জানান, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেড়েছে। স্বাদ থাকলেও কেনাকাটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বতমানে তরিকরকারী বা সবজির অতিরিক্ত দামে চরম বিপাকে পড়েছি। উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের অস হায়,হতদরিদ্র ও নিন্মবিত্ত পরিবারের দিকে দৃষ্টি রেখে কাঁচাতরিতরকারীর মূল্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্য রাখার দাবী সচেতন মহলের।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT