খুলনা, বাংলাদেশ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ

কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত ভায়না সড়কটি দ্রুত সংস্কারেরর দাবী 

[ccfic]

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়ক কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত ভায়না সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে এখন কার্যত চলাচলের প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ভরে যাওয়ায় কোথায় রাস্তা আর কোথায় গর্ত তা বোঝার উপায় থাকে না। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। এই সড়কটি কেবল একটি গ্রামের যোগাযোগের পথ নয় এটি কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা, সুফলাকাটি, পাঁজিয়া, মঙ্গলকোট, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন এবং পৌরসভার একাংশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক, রোগীবাহী যানবাহন ও সাধারণ মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়। মোটরসাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইক, অটোরিকশা ও ছোট যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অনেক সময় পথচারীদেরও কাদা ও পানির কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান এবং মৎস্য চাষিরা মাছ কেশবপুর বাজারে আনতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। এতে পরিবহন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি সময়ও নষ্ট হচ্ছে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের একাধিক স্থানে পিচ সম্পূর্ণ উঠে গেছে। কোথাও কোথাও এত বড় গর্ত হয়েছে যে, যানবাহনকে অত্যন্ত ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। অনেক চালক দুর্ঘটনা এড়াতে রাস্তার পাশ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করছেন, যা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বর্ষা শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে জরুরি ভিত্তিতে অন্তত গর্তগুলো ভরাট করে চলাচল স্বাভাবিক রাখা দরকার। পরে স্থায়ীভাবে কার্পেটিং বা পুনর্নিরমাণের উদ্যোগ নেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। অন্যথায় কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কটি সম্পূর্ণরূপ অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকলে শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ে না, উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়। জনগণের করের টাকায় নির্মিত সড়কের যথাসময়ে রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব। তাই স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত-ভায়না সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT