খুলনা, বাংলাদেশ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  গৃহপরিচারিকা নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার পুলিশ দম্পতি, জামিন চেয়ে আবেদন.
  ধ্বংসের কিনারায় কয়রা যুবসমাজ গিলে খাচ্ছে মাদক-জুয়ার বিষাক্ত সিন্ডিকেট
  আজগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে _মোল্লা লিটন আহমেদ.
  হাসান হত্যা মামলায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের নামে থানায় ২ টি পৃথক মিথ্যা মামলা- ন্যায় বিচার নিয়ে শঙ্কায় এলাকাবাসী
  ৩-০ গোলেই জিতল আর্জেন্টিনা
  মানষ রায় সভাপতি দেবব্রত সরদার দেবু সাধারণ সম্পাদক দাকোপে যাত্রা শিল্পী পরিষদের কমিটি গঠন
  দীর্ঘ এক যুগেও মেলেনি মুক্তি: লবণচরা শিপইয়ার্ড রোডের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরমে
  ঈদগাঁওতে জাতীয় ফল কাঁঠালের ভাল ফলন, স্থানীয়দের মাঝে হাসি 
  চাচা-ভাতিজার সংঘর্ষে ইটের আঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু
  দিনাজপুর বোচাগঞ্জে সাবেক স্ত্রীর হাতে স্বামী খু’ন পায়ের রগ কেটে নির্মম হ’ত্যাকাণ্ড

তেরখাদায় পল্লী বিদ্যুতের টানা লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, তাপদাহে ২৪ ঘণ্টার অর্ধেকই বিদ্যুৎহীন

[ccfic]

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে তেরখাদা উপজেলা। এর মধ্যেই পল্লী বিদ্যুতের অনিয়মিত ও দীর্ঘসময়ব্যাপী লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় অর্ধেক সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কাটাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়াই কখনো দিন, কখনো রাতে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ফলে ২৪ ঘণ্টার বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে ঘুম ভেঙে ভেঙে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। তীব্র গরমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীরা। রাতের পড়াশোনার জন্য শিক্ষার্থীরা মোমবাতি ও চার্জার লাইট ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও ছোট শিশুরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।তেরখাদা উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে গ্রাহকদের মধ্যে।ভুক্তভোগী গ্রাহক মোহাম্মদ ফয়সাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি ১২-১৩ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে এটাকে লোডশেডিং বলা যায় না। এটা এক ধরনের লুকোচুরি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। আমরা কি আদিম যুগে ফিরে যাচ্ছি?”জয়সেনা বাজারের ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন,“বিল দিতে একদিন দেরি হলেই জরিমানা করা হয়, কিন্তু বিদ্যুৎ না দিলে তার জবাবদিহি কে করবে? এই গরমে শিশুদের ঘুম নেই, তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।”উপজেলার কাচিকাটা এলাকার বাসিন্দা হুমায়ূন কবির বলেন,“দিন-রাত শুধু লোডশেডিং। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলেও রিসিভ করে না। এটা এখন মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী—সবাই বিপাকে।”স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা সদরের অবস্থা এমন হলেও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ।এদিকে তেরখাদা পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ওএন্ডএম) মো. তৌফিক ওমরের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে।ভুক্তভোগীদের দাবি, অবিলম্বে এই অযৌক্তিক ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক, যাতে তীব্র তাপদাহে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT