
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
মহান রবের অসীম অনুগ্রহে আল- কুরআনের আলো সর্বস্তরে পৌঁছে দেয়ার মহান প্রত্যয়ে ঈদগাঁওতে উদ্বোধন হয়েছে একটি হিফজ খানার।ইউনিয়নের জাগির পাড়ায় এহছানিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদ কমপ্লেক্সে ৫ জুন বাদে জুমা এর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সুধীদের উপস্থিতিতে একটি মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এহছানিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদ কমপ্লেক্সের মুতাওয়াল্লী হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউনিয়ন পরিষদ বাজেট থেকে বহুমুখী এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জন্য দ্রুত বাজেট বরাদ্দের আশ্বাস দেন ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, এলাকার এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সকলের শামিল হওয়া উচিত। নতুন নতুন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গোড়া পত্তনের মাধ্যমে এই প্রজন্ম আগামীতে দ্বীন ও ধর্মের দিকে ধাবিত হবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এতে আমন্ত্রিতদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এম ইউ পি জয়নাল আবেদীন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের ঈদগাঁও উপজেলা অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, হোমিও চিকিৎসক মাস্টার মোহাম্মদ আলম, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা আহমাদুল্লাহ সোলতানী, ঈদগাঁও প্রেস ক্লাব সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, খাগড়াছড়ি আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা ইব্রাহিম মিয়াজী।স্থানীয় শিক্ষক ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় এতে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এ প্রতিষ্ঠান থেকে এমন এক দল কুরআনের হাফেজ গড়ে উঠবে, যারা নিজেদের জীবনকে কুরআনের আদর্শে আলোকিত করার পাশাপাশি সমাজ ও জাতির জন্য কল্যাণের দিশারী হবে ইনশাল্লাহ।প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, উদ্বোধনের বরকতময় ও আনন্দঘন মুহূর্তে আমন্ত্রিতদের মূল্যবান পরামর্শ এবং আন্তরিক দোয়া আয়োজনকে মহিমান্বিত এবং কুরআনের এ খিদমতের পথে তাদের জন্য উৎসাহ ও প্রেরণা যোগাবে।আয়োজকরা মহান আল্লাহ তায়ালার জন্য সমস্ত প্রশংসা নিবেদন করে বলেন, তিনি মানবজাতির হিদায়াতের উৎস হিসেবে পবিত্র আল- কুরআন নাযিল করেছেন এবং কোরআনের খিদমতের জন্য যুগে যুগে নিবেদিত প্রাণ মানুষ সৃষ্টি করেছেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাদেরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাওলানা মনছুর আলম, ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আমানুল হক, নাইক্ষনদিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবু তাহের, জাগির পাড়া বায়তুর রহমান জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মাওলানা হোছাইন আহমদ, এলাকার মুরুব্বী আবু শামা, বদরুদ্দোজা, মোহাম্মদ ইউনুস সহ কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীল ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
