খুলনা, বাংলাদেশ | ৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানালেন দাকোপের শিক্ষক ও সংস্কৃতি কর্মী দেবব্রত সরদার
  খুলনায় যুবককে গুলি করে মোবাইল ফোন ছিনতাই
  নগরীতে ট্রেনের ধাক্কায় দুইজনের মৃত্যু
  প্রবাস আয় এক বছরে বেড়েছে ১৭.৩০ শতাংশ
  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া।
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায়
  খর্নিয়ায় ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক ইটের সলিং নির্মাণের অভিযোগ
  ঈদগাঁওয়ে চোলাইমদসহ তিন জনকে কারাদণ্ড 
  ঈদগাঁওতে ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে, প্রতীমার কাজ চলমান  নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় শারদীয়া দুর্গোৎসব। ১৬ অক্টোবর থেকে সারাদেশের ন্যায় ঈদগাঁওতেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসব। জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের সনা তনী সম্প্রদায়ের লোকজন শারদীয়া দুর্গোৎসব পালন করবেন ব্যাপক উৎসাহমুখর পরিবেশে। আর কয়টা দিন পার হতে না হতে বিভিন্ন মন্দিরে সাজসজ্জাসহ ডেকোরেশনের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও এক সূত্রে জানায়। তবে কিছু মন্দিরে প্রতীমা তৈরী কাজ প্রায় শেষের দিকে, কিছুতেই প্রতীমা তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। এদিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদের হিন্দুপাড়া, বাজারের কেন্দ্রীয় কালী মন্দির, ইসলামাবাদের হিন্দুপাড়া,হরিপুর, ঈদগাঁওর পালপাড়া, চৌধুরী পাড়া,বঙ্গিম বাজার এলাকা প্রতিবছর শারদীয়া দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সনাতনীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে নারী পুরুষ,তরুন-তরুনীরা ব্যাপক আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠে। এছাড়াও শারদীয়া দুর্গোৎসব সফল এবং স্বার্থক করতে মন্দির ভিত্তিক নানান কমিটিও গঠন করা হয়।  সূত্রে জানা যায়, এই বছর ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১৭টিতে প্রতীমা পূজা ও ১২টিতে ঘট পূজা হতে যাচ্ছে।  জালালাবাদের হিন্দুপাড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বিকাশ কান্তি দে জানান, প্রতীমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ। আর কিছুদিন পর ডেকোরেশনসহ সাজসজ্জার কাজ শুরু হবে।  ঈদগাঁও চৌধুরী পাড়ার পল্লী চিকিৎসক মিন্টু জানান,শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতীমা তৈরীর কাজ চলমান। তবে এখনো শুরু হয়নি সাজসজ্জাসহ সৌন্দর্য্যের কাজ।  ঈদগাঁও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক মেম্বার বাবুল কান্তি দে মুঠোফোনে জানান, এবাবের দুর্গোৎসবে ঈদগাঁও উপজেলায় ১৭টি প্রতীমা পূজা, ১২টি ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ অক্টোবর থেকে এই শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার

[ccfic]

ডেস্ক :

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া এসবি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র দীর্ঘ প্রচেষ্টায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বাসটি টেনে ওপরে তোলা হয়। তবে বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বাসটি টেনে ওপরে তোলা হয়। বর্তমানে বাসটি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনের ওপর এনে রাখা হয়েছে। এর আগে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের নন-এসি বাসটি ৭ নম্বর ফেরিঘাটের ‘করবী’ ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছনের র‍্যাম্প (ডালা) ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজে অংশ নেয় ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর ডুবুরি ইউনিট। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বাসটি টেনে তুলতে সক্ষম হয়। বাসটি দৃশ্যমান হওয়ার পর বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও ডুবুরি ইউনিটের সদস্যরা বাসের ভেতর থেকে যাত্রীদের মালামাল বের করে আনার চেষ্টা করছেন। উদ্ধার করা এই মালামাল ও ব্যাগগুলো পরবর্তীতে বাসের প্রকৃত যাত্রীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বাসের যাত্রীরা জানান, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে একটি বাস দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যুর পর থেকে কর্তৃপক্ষ কঠোর নির্দেশনা জারি করে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দেয়া হয়। আজকেও যাত্রীরা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে আগেই বাস থেকে নেমে পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে বাসটি যখন নদীতে পড়ে যায়, তখন সেটি সম্পূর্ণ খালি ছিল। বাসের চালক ও সহকারীও (হেলপার) বাসটি পড়ে যাওয়ার মুহূর্তে লাফিয়ে নেমে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নদীপাড়ে কোনো স্বজনের আহাজারি বা নিখোঁজ থাকার কোনো দাবিদার দেখা যায়নি।বাসটি টেনে তোলা হলেও উদ্ধার অভিযান এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। বাসটি যেখানে নদীর তলদেশে পড়েছিল, সেখানে কোনো মানুষ আটকে আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীর তলদেশে এখনো নিখুঁতভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT