খুলনা, বাংলাদেশ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  পদত্যাগ করবেন না মমতা বিজেপি কী করবে
  যুদ্ধে ইরানের জয়ের কোনো সুযোগ নেই : ট্রাম্প
  আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে বড় সুখবর, সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
  রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি জলিল মন্ডল
  জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ
  ডুমুরিয়ায় উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন
  নওগাঁর মান্দায় মাদক বিরোধী অভিযানে একজন মাদক ব্যবসায়িক গ্রেফতার
  ন্যাশনাল তরিকত পার্টি (এনটিপি)-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঘোষণা, ১৫ মে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
  হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলের স্ত্রীর রোগমুক্তি ও সুস্হতা কামনায় দোয়া।
  কেশবপুরে ব্র্যাকের আয়োজনে মাছ চাষে কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

ডুমুরিয়ায় উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন

[ccfic]

ডেস্ক রিপোর্ট,শেখ মাহতাব হোসেন:
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রম। সাধারণত প্রতি বছর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রম শুরু হয়।ধান‌‌ ক্রয় উদ্বোধন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) মিজ সবিতা সরকার ধান ক্রয় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
বুধবার ৬মে সকাল ১০টায় ডুমুরিয়া উপজেলা গোডাউন চত্বরেডুমুরিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সুলতানা খানমের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা।ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন,‌ এপ এ পিপিও আলি হাসান,কৃষক প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, শেখ আব্দুল গফফার, জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রমুখ।প্রতি বছর কৃষি বিভাগ ও খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হয়।
অ্যাপের মাধ্যমে নির্বাচন: বর্তমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ‘কৃষকের অ্যাপ’-এর মাধ্যমে লটারিতে বিজয়ী নিবন্ধিত কৃষকরাই তাদের ধান গুদামে বিক্রি করার সুযোগ পান।ধানের আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ১৪% এর মধ্যে থাকতে হবে। ভালো মানেরৌঔ ধান হতে হবে পরিষ্কার, পুষ্ট এবং চিটামুক্ত।ধানের দাম সরাসরি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়।“গুদামে ধান নিয়ে আসার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হোন যে আপনার নাম লটারিতে নির্বাচিত হয়েছে এবং ধানের আর্দ্রতা সঠিক পর্যায়ে আছে। এতে আপনার সময় ও যাতায়াত খরচ সাশ্রয় হবে।”ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার বলেন স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ: তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মধ্যস্বত্বভোগীদের (দালাল) হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। প্রকৃত কৃষকরাই যেন গুদামে ধান বিক্রি করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি পরামর্শ দেন যেন তারা ধান ভালোভাবে শুকিয়ে এবং পরিষ্কার করে গুদামে নিয়ে আসেন। আর্দ্রতা ১৪% এর নিচে রাখার বিষয়ে তিনি কড়া নির্দেশনা দেন যাতে ধান দীর্ঘ সময় ভালো থাকে।কৃষকের অ্যাপ’ বা লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকরা যেন কোনো হয়রানি ছাড়াই তাদের ধান জমা দিতে পারেন, সে বিষয়ে তিনি খাদ্য কর্মকর্তাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলেন।তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন যে, ধানের মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে, ফলে আর্থিক লেনদেনে কোনো ঝুঁকি থাকবে না।বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন:”সরকার কৃষকদের ধানের সঠিক মূল্য দিতে বদ্ধপরিকর। আপনারা সরাসরি গুদামে ধান নিয়ে আসুন। কোনো দালালের মাধ্যমে আসার প্রয়োজন নেই। যদি কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি আপনাদের হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানান। আমরা চাই ডুমুরিয়ার প্রতিটি প্রকৃত কৃষক এই সেবার সুফল পাক।”প্রান্তিক কৃষকদের সুযোগ দেওয়া: একজন কৃষক অনেক বেশি ধান দিয়ে দিলে গুদামের লক্ষ্যমাত্রা দ্রুত পূরণ হয়ে যায়। এতে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা সুযোগ পান না। এই সীমা নির্ধারণের ফলে বেশি সংখ্যক প্রকৃত কৃষক সরকারি মূল্যের সুবিধা নিতে পারেন।বড় ব্যবসায়ীরা যেন কৃষকের নাম ব্যবহার করে অনেক বেশি ধান গুদামে ঢোকাতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতেই এই ‘এক টন’ বা নির্দিষ্ট সিলিং (Ciling) ব্যবহার করা হয়।’কৃষকের অ্যাপ’-এ নিবন্ধিত কৃষকদের মধ্যে লটারি হয়। লটারিতে নাম ওঠার পরই একজন কৃষক তার বরাদ্দকৃত নির্দিষ্ট পরিমাণ (সাধারণত ১ টন বা তার কিছু কম-বেশি) ধান দিতে পারেন।কৃষকের কৃষি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে একই ব্যক্তি একাধিকবার ধান দিচ্ছেন কি না।গুদামে ধান দেওয়ার সময় ওজন এবং আর্দ্রতা (১৪%) সঠিকভাবে পরীক্ষা করে তবেই রিসিভ করা হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রায়ই এটি মনে করিয়ে দেন যে, কৃষকরা যেন ধান শুকিয়ে প্রস্তুত রাখেন এবং লটারিতে নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত ধান নিয়ে এসে হয়রানির শিকার না হন।আলোচনা সভা শেষে ‌তিনি গোডাউনে বৃক্ষ রোপন করেন।।অনুষ্ঠান সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমান।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT