খুলনা, বাংলাদেশ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  অবশেষে ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে সুখবর দিল ভারত
  জাপান গেলেন বিরোধীদলীয় নেতা
  ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে : নাহিদ ইসলাম
  সাভারে আগুনে পুড়ল ৮ ঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বিএনপি নেতা
  ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে শিশুসহ নিহত ১২
  যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলা
  ট্রাম্পের সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি চীনের
  মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক ১৪ (চৌদ্দ) বোতল উইন কোরেক্স সিরাপ সহ ০১ (এক
  নেশার টাকা না পেয়ে স্ত্রীর উপর নির্যাতন, শেষে মৃ/ত্যু: স্বামী-শাশুড়ি গ্রেফতার
  আজ সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে : নাহিদ ইসলাম

[ccfic]

ডেস্ক :

বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্প্রীতি ও ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমরা যে যে ধর্ম-মতেরই হই না কেন, একসঙ্গে এই বাংলাদেশকে গড়বো। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তরুণ প্রজন্ম ও দেশের সকল নাগরিকের প্রত্যাশা। মতভিন্নতা থাকলেও আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাবো।বৌদ্ধ ধর্মের ঐতিহ্য তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের এই বাংলা অঞ্চলে অনেক বিহার ছিল। বৌদ্ধ ধর্ম সবসময় শিক্ষা সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। সেই ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে আমাদের ধারণ করতে হবে। এসব আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। বৌদ্ধ বিহার ধর্মকেন্দ্র বা প্রার্থনা কেন্দ্র হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে এ ধরনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।গৌতম বুদ্ধ-এর শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অহিংসা ও শান্তির যে বাণী গৌতম বুদ্ধ প্রচার করেছিলেন, তা আজকের বিশ্ব ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, হানাহানি ও সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে তার শিক্ষা অনুসরণ করা জরুরি।স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, এই আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারকে আরও সমৃদ্ধ করতে অবকাঠামোসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক।”অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT