খুলনা, বাংলাদেশ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  সাগরদাঁড়িতে অনৈতিক কাজের অভিযোগ তুলে এক যুবককে মারধর ভাইরাল
  ডুমুরিয়ায় খলসি স্কুল মাঠ এসিআই বীজ কোম্পানি মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
  এ কোন স্টোকস, বিস্মিত নেট দুনিয়া
  ডুমুরিয়ায় বোরো ধান কাটা উৎসবে হতাশা: উৎপাদন খরচের চেয়ে বাজারদর কম, লোকসানে কৃষক
  জ্বালানির দাম বাড়লেও দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়বে না : বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
  স্পেনকে ন্যাটো থেকে বের করার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
  ভোটের আনন্দে মেতেছে গাজাবাসী
  সম্মানিত আইজিপি মহোদয়ের অংশগ্রহণে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ
  সম্মানিত আইজিপি মহোদয় নির্মাণাধীন লবণচরা থানা ভবনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করলে
  সম্মানিত আইজিপি মহোদয় রূপসা পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন পুলিশের আবাসিক এলাকায় অবস্থিত কমিশনারের বাংলো সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজ পরিদর্শন করলেন

ডুমুরিয়ায় বোরো ধান কাটা উৎসবে হতাশা: উৎপাদন খরচের চেয়ে বাজারদর কম, লোকসানে কৃষক

[ccfic]

এস মেহেদী হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,খুলনা:খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বোরো ধান কাটা উৎসব শুরু হলেও কৃষকদের মুখে নেই সেই কাঙ্ক্ষিত হাসি। উৎপাদন খরচ ও বাজারমূল্যের মধ্যে চরম অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হওয়ায় কৃষি খাত এখন বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। মাঠের সোনালী ফসল ঘরে তুলতে গিয়ে উল্টো লোকসানের বোঝা কাঁধে নিতে হচ্ছে প্রান্তিক কৃষকদের।ডুমুরিয়ার বিভিন্ন হাটবাজার ও মাঠ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি মণ (৪০ কেজি) কাঁচা ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। অথচ একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি দাঁড়িয়েছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়। ফলে এক মণ ধান বিক্রি করেও শ্রমিকের মজুরি জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না কৃষকের জন্য।ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের কৃষক শেখ শফিকুল ইসলাম জানান, “এবার ধানের ফলন ভালো হয়েছে, কিন্তু বাজার দর খুবই কম। অন্যদিকে শ্রমিকের মজুরি অনেক বেশি হওয়ায় আমরা চরম বিপাকে পড়েছি। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে, এক মণ ধান বিক্রি করেও একজন শ্রমিকের একদিনের মজুরি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডিজেল, সার, কীটনাশক ও বীজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতি মণ বোরো ধান উৎপাদনে খরচ পড়ছে প্রায় ১২০০ টাকারও বেশি। অথচ বর্তমান বাজারদর সেই তুলনায় অনেক কম হওয়ায় প্রতি মণে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সরকার প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য ৩৬ টাকা (মণ প্রতি ১৪৪০ টাকা) নির্ধারণ করলেও মাঠ পর্যায়ে তার কোনো সুফল মিলছে না। সরকারি সংগ্রহ অভিযান মে মাসের আগে শুরু না হওয়ায় অনেকেই ঋণের চাপ সামলাতে বাধ্য হয়ে ফড়িয়া ও চাতাল মালিকদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করছেন।কৃষকরা দ্রুত সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সার-তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় আগামী মৌসুমে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ না হলে কৃষকের এই লোকসানের চিত্র আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT