
ডেক্স :
অদ্য ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির মহোদয় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে আগমন করলে পুলিশের একটি চৌকস দল আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরবর্তীতে তিনি বয়রাস্থ পুলিশ লাইন্সের প্রাকৃতিক ও মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পুলিশ লাইন্সের পরিবেশ, সবুজায়ন ও নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক গভীর আগ্রহের সাথে অবলোকন করেন। অতঃপর পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তিনি পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে একটি জাবুটিকাবা গাছের চারা রোপণ করেন।পরবর্তীতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা এঁর সভাপতিত্বে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের প্রধানসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের সাথে বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ মহোদয়। সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্য থেকে শুরু করে প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্ববোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। সবসময় মনে রাখতে হবে পুলিশ জনগণের সেবক, আর জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আইজিপি মহোদয় থানাকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজগম্য, জনবান্ধব ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আইনি ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ডিজিটাল প্রযুক্তি, সাইবার ট্র্যাকিংসহ সকল আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুলিশ ও সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সমাজের সচেতন ও ভালো মানুষদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে অপরাধ দমনে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।এছাড়া তিনি বলেন, কোনো দুর্ঘটনা, অপরাধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক তদন্ত, সঠিক রিপোর্টিং এবং দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমেই সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।সভায় খুলনা বিভাগের পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যগণ তাদের কিছু সমস্যা ও চাহিদার কথা আইজিপির নিকট তুলে ধরেন। আইজিপি মহোদয় সকলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং যথাসম্ভব সমস্যা সমাধানের বিষয়ে সকলকে আশ্বস্ত করেন।কল্যাণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি জনাব মোঃ রেজাউল হক, পিপিএম, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, বিপিএম (বার)-সহ খুলনাস্থ বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারবৃন্দ।
