খুলনা, বাংলাদেশ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  আখাউড়ায় মাদক সহ গ্রেফতার ১
  দিনাজপুর বীরগঞ্জের কাজল গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আদিবাসী মহিলার মৃত্যু 
  খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান, ভাই জনি আটক
  ফেসবুক-মেসেঞ্জার সার্ভার ডাউন
  খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠে এলো মানবিকতার গল্প
  থানা পর্যায়ে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Program” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
  ডুমুরিয়ায় আট বছরেও শেষ হয়নি ৬০ মিটার সেতুর কাজ চরম দুর্ভোগে মানুষ
  বিশ্বকাপ ফুটবলের উম্মাদনায় মুখরিত কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের পাড়া মহল্লা
  কেশবপুরে মাছের ঘের করতে সরকারি  রাস্তার ব্যবহার, হুমকির মুখে গ্রামীণ সড়ক
  সুনামগঞ্জের হরিনগরে বাড়ির ছাঁদ থেকে গাঁজার গাছসহ ১ জন আটক

তেল কেনা নিয়ে ভারতকে দুঃসংবাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র

[ccfic]

ডেস্ক রিপোর্ট: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার ভারতকে বড় একটি দুঃসংবাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি জানিয়েছে, তারা সেই ছাড়গুলো আর নবায়ন করবে না, যার ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন না হয়েই ইরান ও রাশিয়ার তেল কিনতে পারত ভারত। এই নিষেধাজ্ঞা ছাড়ে ফলে হরমুজ প্রণালির আশেপাশে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার মধ্যেও নয়াদিল্লি রাশিয়ার তেল কিনতে পারত। খবর এনডিটিভির।প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলো রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেলের অর্ডার দিয়েছে। তবে রাশিয়া ও ইরানের তেল কেনার ক্ষেত্রে সেই ছাড় আর নবায়ন করবে না ওয়াশিংটন। ফলে এর বড় প্রভাব বড়বে ভারতের ওপর।বুধবার (১৫ এপ্রিল) সাংবাদিকদের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, আমরা রাশিয়া ও ইরানের তেলের সাধারণ লাইসেন্স নবায়ন করব না। ১১ মার্চের আগে জাহাজে থাকা তেলের ক্ষেত্রেই এই ছাড় প্রযোজ্য ছিল এবং তা ইতোমধ্যে ব্যবহার হয়ে গেছে।এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সুযোগ ব্যবহার করে আরও বেশি তেল সরবরাহ নিশ্চিত এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানির আকাশছোঁয়া মূল্য কমাতে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার সমাপ্তি হবে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির যে মূল্য ব্যাপকভাবে বেড়েছে, তা এই প্রচেষ্টারই অংশ ছিল।মার্চে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের একটি লাইসেন্স দেয়, যাতে ১২ মার্চের আগে জাহাজে তোলা রুশ তেল বিক্রি ও সরবরাহ করার অনুমতি দেয়া হয়। এই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হয়েছে ১১ এপ্রিল।একইভাবে ২০ মার্চ ইরানি তেলের ক্ষেত্রেও একটি ছাড় দেয়া হয়, যার ফলে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছায়। এই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ১৯ এপ্রিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ নীতি আরও জোরদার করছে।যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এই ছাড়ের ফলে ভারত বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের মধ্যেও অতিরিক্ত রুশ তেল আমদানি করতে পেরেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় রিফাইনারিগুলো এই সময় প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল রুশ তেলের অর্ডার দিয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজসহ বড় রিফাইনারিগুলো রাশিয়ার রোজনেফট ও লুকোয়েলের থেকে আমদানি কমিয়ে দেয়। তবে পরে তারা আবার রুশ তেল কেনা বাড়ায়।এই ছাড়ের সময় অন্তত দুটি সুপারট্যাংকার ইরানি অপরিশোধিত তেল নিয়ে ভারতের বন্দরে পৌঁছায়, যা সাত বছরের মধ্যে প্রথম। ঐতিহাসিকভাবে ভারত ইরানি তেলেরও বড় ক্রেতা ছিল। রিফাইনারির সঙ্গে সামঞ্জস্য ও বাণিজ্যিক সুবিধার কারণে দেশটি ইরানের হালকা ও ভারী উভয় ধরনের তেল আমদানি করত।উল্লেখ্য, একসময় ভারতের মোট তেল আমদানির ১১.৫ শতাংশই ছিল ইরানি তেল। তবে ২০১৮ সালে নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার পর ২০১৯ সালের মে মাস থেকে এই আমদানি বন্ধ হয়ে যায় এবং তার জায়গা নেয় মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশ।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT