খুলনা, বাংলাদেশ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা
  তড়িঘড়ি সংস্কারে যশোরের সড়ক :টেকসইতা নিয়ে প্রশ্ন
  হামের প্রকোপ কবে কমতে পারে?
  যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর দুই দিন
  সরকার জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে : সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী
  বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়া ব্যুরো
  সংরক্ষিত আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন ৩৬ জন
  এনসিপিকে মানুষ জামায়াতের অংশ মনে করে : জিএম কাদের
  শীর্ষ ১০ ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
  বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহী-৬ আসনে ৪২টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র

[ccfic]

সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার  :

দুর্গম এলাকা, যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, অতীতে সংঘাতের ইতিহাস, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অবস্থান, রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কার্যালয় এবং অপরাধ করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। নির্বাচনী সংশ্লিষ্টদের মতে, অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

ভোটকেন্দ্রভিত্তিক ঝুঁকি মূল্যায়ন সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাজশাহী-৬ আসনের মোট ১১৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪২টিকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, বাঘা উপজেলায় ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন মিলিয়ে মোট ৬১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ২৪টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বাঘা উপজেলার সবচেয়ে দূরবর্তী ও দুর্গম চরাঞ্চল চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৯টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোই অধিক গুরুত্বপূর্ণ তালিকাভুক্ত। ভারত সীমান্তঘেঁষা এ ইউনিয়নের আতারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।

অন্যদিকে, চারঘাট উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে মোট ৫৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছে। নিমপাড়া ইউনিয়নের ১১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮টিই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তুলনামূলকভাবে ইউসুফপুর ইউনিয়নের সবকটি কেন্দ্রকে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মাঠ প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আগাম প্রস্তুতির পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র ও ভোটের সরঞ্জামের নিরাপত্তায় আলাদা নজরদারি থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তিদের নজরদারিতে রাখতে এবং প্রয়োজনে আইনের আওতায় আনতে পুলিশসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী কেন্দ্রগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।”

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার জানান, এবার সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা আগে কখনো হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে—প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় একজন অস্ত্রধারী আনসার, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্রে ক্যামেরা স্থাপন এবং পুলিশের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযোজন।

বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী কেন্দ্রগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।”

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার জানান, এবার সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন নির্বাচন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা আগে কখনো হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে—প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় একজন অস্ত্রধারী আনসার, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্রে ক্যামেরা স্থাপন এবং পুলিশের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযোজন।

সহকারী পুলিশ সুপার (বাঘা-চারঘাট সার্কেল) খালেদ হোসেন বলেন, “নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য কয়েক মাস আগেই থানার ওসিরা সরেজমিন পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা তৈরি করেছেন। অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বেশি হলেও দুশ্চিন্তার কিছু নেই। পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।”

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT