খুলনা, বাংলাদেশ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ায় সরকারি জায়গার মাটি কাটার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
  কেশবপুরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও লিফলেট বিতরণ
  কেশবপুরে সপ্তাহিক দেশ জনতার কথা  পত্রিকার মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা
  মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত
  ধামইরহাটে প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ও কল্যান তহবিলের ঈদ উপহার বঞ্চিত  ভিক্ষুক ও দুস্থদের -মানববন্ধন
  ১৩ কোটি ৬৯ লাখ ব্যয়ে ২ দফা ময়ূর নদ খনন করা হলেও কোন সুফল মেলেনি শুধু টাকার অপচয় হয়েছে
  বাগেরহাটে সাংবাদিক শিমুলের নামে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
  তদন্তের জালে খুলনা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম
  রাজধানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে পুড়ল তিনজন, আশঙ্কাজনক দুই
  ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় জামায়াতের প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন

খুলনায় শাশুড়ি ও দুই সন্তানকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে সৎবাবার স্বীকারোক্তি

[ccfic]

ডেস্ক :

খুলনার সোনাডাঙ্গায় শাশুড়ি ও দুই সন্তানকে খুনের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি ও শিশু দুটির সৎবাবা রফিকুল ইসলাম হাওলাদার। আজ শনিবার (৬ জুন) দুপুরে জবানবন্দি রেকর্ড করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ফরিদুজ্জামান। পরে রফিকুলকে কারাগারে পাঠানো হয়।এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে বরিশালের কাশিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৬ খুলনার সদস্যরা।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের কর্মকর্তা কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) অনিমেষ মন্ডল জানান, ঈদের দিন রাতে মেরী বেগমের মা রাগ করে রফিকুলকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরের দিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুনরায় ওই বাড়িতে ফিরে আসেন মেরী বেগমের স্বামী রফিকুল। সকালে মেইন গেট ও ঘরের দরজা খোলা ছিল। রফিকুল ঘরে ঢুকতে গেলে শাশুড়ি বেবী বেগম তাকে দেখে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় তাকে ঠেলা দিয়ে ঘরের ভেতরে ফেলে দেন রফিকুল। গায়ে থাকা ওড়না দিয়ে শাশুড়ি বেবী বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর বিষয়টি শিশু শামীম দেখে ফেলায় তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। এরপর শামীমের চিৎকার শুনে মুস্তাকিম ঘুম থেকে জেগে হত্যার বিষয়টি দেখে ফেলে। ট্রাংকের ওপর থাকা পায়জামা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকেও হত্যা করেন রফিকুল।এরপর শাশুড়ি বেবী বেগমের মরদেহ খাটের নিচে, শামীমের মরদেহ ট্রাংকের ওপর ও মুস্তাকিমের মরদেহ ওয়ারড্রবের একটি ড্রয়ারের মধ্যে লুকিয়ে রেখে তালা দেন। মেরী বেগম ঘুম থেকে উঠে দেখেন বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া। ভেতর থেকে একাধিকবার ধাক্কা দেওয়ার পর রফিকুল দরজা খুলে দেন। পরবর্তীতে ছেলে ও মায়ের সন্ধান করতে থাকেন মেরী বেগম। তখন তাকে রফিকুল জানান- শাশুড়ি তাদের সাথে থাকবেন না বলে বাড়ি থেকে চলে গেছে। দুপুরে একই বাড়িতে একসাথে খাওয়া দাওয়া করেন রফিকুল। ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তালা কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় রফিকুল ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। প্রথমে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে এসে দৌলতপুর ও ফুলবাড়িগেটে কিছুক্ষণ অবস্থান করে রাতে বরিশালের উদ্দেশ্যে খুলনা ত্যাগ করেন।তিনি আরও জানান, শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা আসামি রফিককে থানায় হস্তান্তর করে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তবে এ সময় তিনি নিজের দোষ অস্বীকার করতে থাকেন। পরে রাতে নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চান। পরে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে আদালতে নেওয়া হয়।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT