খুলনা, বাংলাদেশ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  আখাউড়ায় মাদক সহ গ্রেফতার ১
  দিনাজপুর বীরগঞ্জের কাজল গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আদিবাসী মহিলার মৃত্যু 
  খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান, ভাই জনি আটক
  ফেসবুক-মেসেঞ্জার সার্ভার ডাউন
  খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠে এলো মানবিকতার গল্প
  থানা পর্যায়ে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Program” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
  ডুমুরিয়ায় আট বছরেও শেষ হয়নি ৬০ মিটার সেতুর কাজ চরম দুর্ভোগে মানুষ
  বিশ্বকাপ ফুটবলের উম্মাদনায় মুখরিত কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের পাড়া মহল্লা
  কেশবপুরে মাছের ঘের করতে সরকারি  রাস্তার ব্যবহার, হুমকির মুখে গ্রামীণ সড়ক
  সুনামগঞ্জের হরিনগরে বাড়ির ছাঁদ থেকে গাঁজার গাছসহ ১ জন আটক

১৮ ডিসেম্বর রাজশাহী মুক্ত দিবস

[ccfic]

সোহেল রানা,রাজশাহী ব্যুরো :

১৮ ডিসেম্বর রাজশাহী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদারমুক্ত হয় রাজশাহী। ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলেও দুদিন পর রাজশাহীতে উড়ে বিজয়ের পতাকা। দীর্ঘ অবরোধের পর মুক্ত বাতাসে নেমে আসে রাজশাহীবাসী। হারানো স্বজনদের খোঁজে অনেকেই ছুটে যান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুজ্জোহা হলসহ বিভিন্ন বধ্যভূমিতে, যেখানে উদ্ধার করা হয় নির্যাতিত অসংখ্য মানুষের মরদেহ।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ৭ নম্বর সেক্টরের অধীন থাকা রাজশাহীকে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন ৪ নম্বর সাব-সেক্টরের কমান্ডার মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (বীর বিক্রম)। সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক শহীদ হওয়ার পর ৭ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব নেন কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান (বীর উত্তম)।

মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনী রাজাকার, আলবদর ও পাকিস্তানপন্থী অবাঙালিদের সহযোগিতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালায়। প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়। মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও শেখপাড়া সাব-সেক্টরের কমান্ডার মেজর রশিদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলে রাজশাহী শহরের দিকে অগ্রসর হন।

ঢাকার পতনের খবর ছড়িয়েু পড়লে রাজশাহীতে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা পিছু হটতে শুরু করে। আত্মগোপনে যায় রাজাকার-আলবদররা। মুক্তিবাহিনীর অগ্রবর্তী দল সাদা পতাকা উড়িয়ে রাজশাহীর উপকণ্ঠে প্রবেশ করে। বন্দিশালা থেকে মুক্তি পায় নির্যাতিত মানুষ। শোক আর আনন্দের অশ্রুতে ভিজে ওঠে রাজশাহীর মাটি।

১৮ ডিসেম্বর সকালে রাজশাহীর মাদরাসা হাইস্কুল মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রাজশাহীকে মুক্ত ঘোষণা করা হয়। পরে মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তৎকালীন পৌরসভা ভবনকে কন্ট্রোল রুম হিসেবে ব্যবহার করে শুরু হয় প্রশাসনিক কার্যক্রম।

এইভাবেই বিজয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পথে রাজশাহীর নতুন অধ্যায়।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT