খুলনা, বাংলাদেশ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  দ্রুতই খুলবে ক্রিসেন্ট-পিপলস মিলের মধ্যবর্তী বন্ধ সড়ক : হেলাল
  আখাউড়ায় মাদক সহ গ্রেফতার ১
  দিনাজপুর বীরগঞ্জের কাজল গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আদিবাসী মহিলার মৃত্যু 
  খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান, ভাই জনি আটক
  ফেসবুক-মেসেঞ্জার সার্ভার ডাউন
  খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠে এলো মানবিকতার গল্প
  থানা পর্যায়ে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Program” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
  ডুমুরিয়ায় আট বছরেও শেষ হয়নি ৬০ মিটার সেতুর কাজ চরম দুর্ভোগে মানুষ
  বিশ্বকাপ ফুটবলের উম্মাদনায় মুখরিত কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের পাড়া মহল্লা
  কেশবপুরে মাছের ঘের করতে সরকারি  রাস্তার ব্যবহার, হুমকির মুখে গ্রামীণ সড়ক

দেশের ৪০ শতাংশ মাছের চাহিদা পূরণ করছে রাজশাহী’

[ccfic]

সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার :

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশের মাছের মোট চাহিদার ৪০ শতাংশই পূরণ করছে রাজশাহী। ময়মনসিংহে সর্বাধিক মাছ চাষ হলেও রাজশাহীর অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে মৎস্য অনুষদ আয়োজিত আন্তর্জাতিক মৎস্য সম্মেলন ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, দেশে মাছ উৎপাদন হয় দুইভাবে- প্রাকৃতিক উৎস যেমন নদী, খাল-বিল, হাওড়-বাঁওড় এবং অ্যাকুয়াকালচার বা চাষের মাধ্যমে। দুটো পদ্ধতিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাকুয়াকালচারের বিকাশে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী দামে মাছ খেতে পারছে। তবে সে কারণে প্রাকৃতিক উৎসের মাছ ধরার প্রথা বন্ধ করা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মাছ রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিদেশে প্রচুর বাঙালি প্রবাসী আছেন, তাদের জন্য হলেও রপ্তানি অব্যাহত থাকতে হবে। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন, অথচ তারা যদি বাঙালির পরিচিত মাছ না পান, সেটা দুঃখজনক। কার্পজাতীয় মাছ রপ্তানির সুযোগ বাড়াতে হবে বলেও তিনি মত দেন।মৎস্যচাষে নিরাপদ খাদ্যের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, অনিরাপদ ফিড মাছের মান নষ্ট করে এবং ভোক্তার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বাজারে অনিরাপদ ফিড যাতে না আসে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি মাছের জন্য নিরাপদ ওষুধ নিশ্চিত করাও জরুরি।ফরিদা আখতার আরও বলেন, মৎস্যচাষ নীতি প্রণয়ন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নীতি থাকলে চাষিদের করণীয় নির্ধারণ সহজ হবে এবং উদ্ভূত সমস্যারও সমাধান মিলবে। তিনি ইলিশ রক্ষা এবং কৃষিজমিতে পুকুর না খনন করে অনাবাদি জমি ব্যবহার করে মৎস্যচাষ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আক্তার হোসেন। ফিশারিজ অনুষদের ডিন এবং সামিট আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT