
নিজস্ব প্রতিনিধি সাদিয়া আক্তার :আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সহযোগিতা জোরদার করলে এশিয়ার মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) দীর্ঘমেয়াদে ১ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।সোমবার (১৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হতে যাওয়া আইএমএফের বার্ষিক সাধারণ সভার আগে এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এশিয়ার দেশগুলোকে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য আরও গভীর করতে হবে, বিশেষ করে চূড়ান্ত পণ্য ও সেবা খাতে। পাশাপাশি সেবা ও আর্থিক খাতে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে।জর্জিয়েভা বলেন, আঞ্চলিক একীকরণ ও অ-শুল্ক বাধা কমানোর উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে পারে। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে এশিয়ার অভ্যন্তরীণ সংযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দশকে গড়পড়তা উন্নতি ঘটলেও এর পেছনে রয়েছে বৈষম্য ও বঞ্চনার গভীর স্রোত। বিশ্বজুড়ে তরুণরা ভালো সুযোগের দাবিতে রাস্তায় নামছে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।ওয়াশিংটনে শুরু হওয়া আইএমএফের এই সভায় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রকাশ করা হবে। সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছর ও আগামী বছরে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা ধীরগতির হলেও সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।জর্জিয়েভা বলেন, স্থিতিশীলতার পেছনে চারটি কারণ কাজ করছে—নীতিগত ভিত্তির উন্নয়ন, বেসরকারি খাতের অভিযোজন ক্ষমতা, তুলনামূলকভাবে কম শুল্কপ্রভাব এবং সহায়ক আর্থিক পরিবেশ।অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য আইএমএফের তিন প্রস্তাব:
১. টেকসই প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি, যাতে কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আদায় বাড়ে।
২. সরকারের আর্থিক অবস্থার পুনঃস্থাপন, যাতে ভবিষ্যৎ ধাক্কার মোকাবিলা করা যায়।
৩. অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্ব ভারসাম্যহীনতা দূর করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
