খুলনা, বাংলাদেশ | ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে রঘুনাথপুর ইউনিয়নে প্রস্তুতি সভা
  ডুমুরিয়ার ১৮ মাইল বাজারে এমপি লবি ও তার সহধর্মিণীর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল
  খর্নিয়া হাইস্কুলে সাবেক ছাত্রদল নেতা মোজাহিদ সভাপতি নির্বাচিত
  কেশবপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ।
  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে KU Insiders-এর টানা ৩য় বারের মতো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত:
  খুলনায় মাদক ও আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে জোড়া খুন, গ্রেপ্তার ৩
  জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা
  ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার
  মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন হাজীগঞ্জের জুম্মান

নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন

[ccfic]

কয়রা (খুলনা) আলামিন ইসলাম 

টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন। এতে আবারও বনের নদী-খালে ছুটবে জেলেদের নৌকা। মাছ ও কাঁকড়া আহরণে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সুন্দরবননির্ভর জেলে ও বনজীবীরা। সুন্দরবন খোলার দিন যত ঘনিয়ে আসছে, খুলনার কয়রায় ততই বাড়ছে কর্মচাঞ্চল্য।ইতোমধ্যে কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউ নৌকা সংস্কার ও নতুন নৌকা তৈরির কাজে ব্যস্ত। আবার কেউ মাছ ও কাঁকড়া ধরার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গোছাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ পাওয়ায় বননির্ভর মানুষের মধ্যে ফিরেছে নতুন কর্মব্যস্ততা ও প্রত্যাশা।বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটকসহ সব ধরনের প্রবেশ ও মাছ-কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে জেলে ও বনজীবীরা নিজেদের নৌকা মেরামত, নতুন নৌকা তৈরি, জাল বোনা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত করেছেন।সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, “সুন্দরবন ঘিরে স্থানীয়ভাবে নৌকা তৈরি ও মেরামতের মতো ছোট শিল্প গড়ে ওঠা উপকূলীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। এতে জেলেরা সহজে প্রয়োজনীয় নৌযান পাচ্ছেন, পাশাপাশি স্থানীয় শ্রমিকদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”রাজনীতিবিদ ও সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম শাহাবুদ্দীন হাওলাদার বলেন, সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস মাছ ও কাঁকড়া আহরণ। দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার পর বন খুলে দেওয়ায় জেলে ও বনজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সবাইকে সরকারি নিয়ম মেনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করতে হবে।স্থানীয় জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সময় আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়তে হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন খুললে তারা আবার নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করে সংসারের খরচ চালাতে পারবেন বলে আশা করছেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT