খুলনা, বাংলাদেশ | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ

খুলনার বিএনপি নেতাদের টার্গেট, কারা চালাচ্ছে মিডিয়া ট্রায়াল?

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :

গত কয়েক মাসের মধ্যে খুলনার বিএনপির ৪ জন শীর্ষ নেতাকে পরিকল্পিতভাবে “মিডিয়া ট্রায়ালের” শিকার হতে হয়েছে। জেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারী সাংবাদিকদের ব্যবহার করে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।উল্লেখ্য ” ১) খুলনা মহানগর যুবদলের নেতা নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর এক ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে ফোন করেন। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুরো ঘটনা না জেনেই একটি মহল সাগরকে নিয়ে পত্রিকায় “চাঁদাবাজির অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। পরে ব্যবসায়ী নিজেই জানান, এটি পাওনা টাকার বিষয় ছিল। কিন্তু ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচার ছড়িয়ে পড়ে।২) খুলনা সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মোল্লাকে রীতিমতো এরশাদ শিকদারের সাথে তুলনা করে ঢালাওভাবে সংবাদ প্রচার করা হয়। চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ নানা অভিযোগ তোলা হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, ভুয়া ও বেনামে অভিযোগ দিয়ে তাকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিডিয়া ট্রায়াল করা হয়েছিল।৩) খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পির বিরুদ্ধে ডুমুরিয়ার রাজস্বের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়ানো হলেও পরে দেখা যায়, অভিযোগের সেই টাকা জেলা পরিষদের কোষাগারেই জমা রয়েছে।৪) খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে নিয়ে বলা হয়, প্রশাসকের কাছের মানুষদের কাজ দেওয়া হয়েছে। অথচ যারা কাজ পেয়েছেন তারা সবাই কেসিসির বৈধ ঠিকাদারি লাইসেন্সের মাধ্যমেই কাজ করছেন এবং কাজে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি। তারপরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে -অনুসন্ধানে রূপসার মোল্লা জাহাঙ্গীর আলমের- মতামত পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, খুলনার রাজনীতিতে যারা মাঠে সক্রিয়, তাদেরকে বিতর্কিত করতেই এই ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সত্য উদঘাটন না করে শুধু অভিযোগ প্রচার করা হলে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা অনেকটাই কমে যাবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT