খুলনা, বাংলাদেশ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী

দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।

[ccfic]

শচীন্দ্র নাথ মন্ডল দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি: মৌসুমি রায়ুর ফলে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে খুলনার দাকোপ উপজেলাজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে উপকূলীয় মানুষের জীবনযাত্রায়ও ঘটেছে ছন্দপতন। আজ সোমবার সকাল থেকেও বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে দমকা বাতাস বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়াকে আরও শীতল করে তুলেছে।খুলনা আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় দমকা হওয়া থাকায় বাতাসের গড় গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৮-১০ কিলোমিটার। তবে এমন আবহাওয়া আরও দু’দিন থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।সোমবার সকাল থেকে উপজেলার সদর চালনা পৌরসভার জনবহুল এলাকাগুলো প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে। টানা বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো। বৃষ্টিতে সময়মতো কাজে যেতে পারছেন না তারা। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। বৃষ্টির কারণে চারপাশ কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে বেড়েছে দুর্ভোগ।সাধারণ মানুষেরা জানান, গত শনিবার ভোর রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কখনো ভারী বর্ষণ আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এ ছাড়া আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে রয়েছে। বৃষ্টির কারণে বাড়ির আশপাশের ডোবা-নালা-খাল ডুবে গেছে।চালনা বাজারের সবজি বিক্রেতা পান্না গাজী বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। বিক্রিও কম হচ্ছে। তিনদিন ধরে বৃষ্টির কারণে ব্যবসার কিছুটা ক্ষতি হচ্ছে।ভ্যানচালক মিলন চৌকিদার বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টি। কোনো যাত্রী নাই। ভ্যান নিয়ে শুধু অলস বসে থাকা। তিনদিন ধরে এই অবস্থা।টিটাপল্লী এলাকার রাজমিস্ত্রী জিন্নাত আলী বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে কর্মহীন হয়ে বসে আছি। দিনমজুর হওয়ায় প্রতিদিনের আয়ের টাকা দিয়ে সংসার চালাতে হয়। এখন আয়-রোজার বন্ধের উপক্রম হওয়ায় সংসার চালানো নিয়ে আশঙ্কায় আছি।খেটে খাওয়া মানুষের জন্য এই বৃষ্টি এক দুর্ভোগ হয়ে দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে শরতে আষাঢ়ের বৃষ্টি উপভোগও করছেন অনেকে।খুলনা আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারি আবহাওয়াবিদ মো. মিজানুর রহমান কালবেলাকে বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই বৃষ্টি দেখা দিয়েছে। এটি আরও দুই-তিনদিন স্থায়িত্ব হতে পারে। এরপর আবহাওয়া ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। বতর্মানে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT