খুলনা, বাংলাদেশ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

‘এখন পর্যন্ত এটাই সেরা…

[ccfic]

ডেস্ক :

পুরস্কার বিতরণ মঞ্চের আলো তখনো পুরোপুরি নেভেনি। মাঠের সবুজ ঘাস মাড়িয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যখন মিডিয়া সেন্টারের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখনই তাকে ঘিরে ধরলেন একঝাঁক সংবাদকর্মী। চোখে-মুখে তখনো খেলা শেষের ঘোর, কিন্তু ঠোঁটের কোণে লেগে আছে তৃপ্তির চওড়া হাসি। থাকবেই না কেন? নাজমুলের নেতৃত্বেই যে বাংলাদেশ কিছুক্ষণ আগে লিখেছে এক মহাকাব্যিক ইতিহাস। চারপাশ থেকে ধেয়ে আসা ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আর লেন্সগুলোর একমাত্র লক্ষ্য তখন একজনই—অধিনায়ক। এমন দৃশ্য তো বাংলাদেশের ক্রিকেটে রোজ রোজ দেখা যায় না। পুরো সময়টা তিনি উপভোগ করেছেন, যেমন উপভোগ করেছেন সংবাদ সম্মেলনও। কোনো তীর্যক প্রশ্ন ছাড়াই কেটে গেছে সময়। কালবেলার পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো সেই কথোপকথন…।শেষ এক ঘণ্টার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ওরা খুব ভালো ব্যাটিং করছিল, আমরা কিছুটা চাপে ছিলাম। তবে আগের চেয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও প্যানিক না করার জায়গায় উন্নতি হয়েছে। আরও ভালো হওয়ার সুযোগ অবশ্যই আছে। টানা দুই টেস্টে ১০ দিন ক্রিকেট খেলতে পারাটা বড় অর্জন। ব্যাটসম্যান, বোলার, কোচিং স্টাফ—সবাই দারুণ পরিশ্রম করেছে। অধিনায়ক হিসেবে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ওয়ার্ক এথিক দেখে আমি খুবই গর্বিত।পাকিস্তানের বিপক্ষে আধিপত্যের জয়প্রত্যেক টেস্ট ম্যাচ জিততে পারলে ভালো লাগে। তার মধ্যে ভালো একটি দলের বিপক্ষে আধিপত্য ধরে রেখে জিততে পারা অবশ্যই গর্বের ব্যাপার। এর পেছনে অনেক পরিশ্রম ছিল। সবাই প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে এবং দলের জন্য খেলার চেষ্টা করেছে। কিছু খেলোয়াড় সফল হয়েছে, কিছু হয়নি; তবে লক্ষ্য ছিল দুই ম্যাচ জেতা। সেই কষ্ট বিফলে যায়নি। এখন আমাদের আরও এগোতে হবে। কিছু জায়গায় ফাইন টিউনিং করলে এই দল আরও ভালো অবস্থানে যাবে।এই সিরিজ জয় কি সেরা অর্জনএখন পর্যন্ত… কিন্তু আমি মনে করি যে সামনে আরও অনেক টেস্ট ম্যাচ বাংলাদেশ খেলব, ওখানে আরও ভালো ভালো অর্জন হবে, এটাই আশা থাকবে।টেস্ট জাতি হিসেবে কতটা এগোচ্ছে বাংলাদেশ সর্বশেষ দু-তিন বছর ধরে আমরা উন্নতি করছি, ধীরে ধীরে এগোচ্ছি। তবে এখনো উন্নতির জায়গা আছে। সব মিলিয়ে আমরা ভালো অবস্থানে আছি এবং সামনে ভালোভাবে এগোচ্ছি। গুরুত্বপূর্ণ হলো এ ধারাটা ধরে রাখা এবং চাপের সময় আরও ভালো ক্রিকেট খেলা। সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে আমরা কতটা প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। জয়-পরাজয় থাকবেই; কিন্তু পাঁচ দিন ধরে প্রতিপক্ষকে কঠিন চাপে রাখা—অধিনায়ক হিসেবে এটাই আমি দেখতে চাই।কঠিন পরিস্থিতি উতরে যাওয়ার মানসিকতা আমি বলব না, আমরা পুরোপুরি সেখানে পৌঁছে গেছি। তবে আমাদের হাতে এখন ভালো বোলিং আক্রমণ আছে, তাই আমরা চাপে ফেলতে পারছি। ধীরে ধীরে সে জায়গায় উন্নতি হচ্ছে। এ ধরনের লড়াই হলে আমরা এগিয়ে থাকি, কারণ আমাদের সেই অস্ত্র আছে। বোলিং ও নির্ধারিত জায়গায় ফিল্ডার রেখে আমরা আক্রমণ তৈরি করতে পারি। টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্যই এসব মুহূর্ত। যারা মানসিকভাবে এগিয়ে থাকে, তারা সুবিধা পায়। একজন অধিনায়ক হিসেবে মাঠে এই চ্যালেঞ্জ দিতে পারাটা ভালো লাগার বিষয়।টেলএন্ডারদের ব্যাটিং উন্নতিঅসাধারণ। আমার মনে হয় এই জায়গাটা নিয়ে আমরা আগে অনেক লড়াই করেছি। কিন্তু এই সিরিজে তাইজুল ভাই, শরিফুল, তাসকিন ভাই, এমনকি রানা—প্রথম টেস্টে এক ইনিংসে ২৭ বল খেলেছে; এটা বিশাল উন্নতি। এই জায়গায় তাদের ব্যাটিং সামর্থ্য আছে, তারা যদি এভাবে কষ্ট করে যেতে পারে, তাহলে তারা দলকে আরও ভালো অবস্থানে নিতে পারবে।বোলিং অপশন বেশি থাকার সুফল আপনার যখন পাঁচটা বোলার থাকবে, তখন অপশন থাকেই। টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে পাঁচজন বোলার লাগে—আমি এটা বিশ্বাস করি। ২০ উইকেট নিতে হলে বোলিং অপশন থাকা জরুরি। আমরা এখন এই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছি, আগে যেটা খুব একটা সাহস করতাম না। এর পেছনে বড় কৃতিত্ব ব্যাটসম্যানদের। তারা বড় রান করছে, লম্বা ইনিংস খেলছে। সিরিজ শুরুর আগে আমরা বলেছিলাম, প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। বোর্ডে ৩৫০, ৪০০ বা ৪৫০ থাকলে বোলাররা নির্ভারভাবে বল করতে পারে। তাই পাঁচ বোলার, ছয় ব্যাটসম্যান, একজন অলরাউন্ডার—এই কম্বিনেশনেই আমরা এগোতে চাই,দলকে ওপরে নিতে চাই।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT