খুলনা, বাংলাদেশ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  পদত্যাগ করবেন না মমতা বিজেপি কী করবে
  যুদ্ধে ইরানের জয়ের কোনো সুযোগ নেই : ট্রাম্প
  আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে বড় সুখবর, সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
  রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি জলিল মন্ডল
  জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ
  ডুমুরিয়ায় উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন
  নওগাঁর মান্দায় মাদক বিরোধী অভিযানে একজন মাদক ব্যবসায়িক গ্রেফতার
  ন্যাশনাল তরিকত পার্টি (এনটিপি)-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঘোষণা, ১৫ মে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
  হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলের স্ত্রীর রোগমুক্তি ও সুস্হতা কামনায় দোয়া।
  কেশবপুরে ব্র্যাকের আয়োজনে মাছ চাষে কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

জাতীয় সংসদকে বিএনপির পরিবারতন্ত্র সংসদ বানিয়েছে জেএসএফ বাংলাদেশ

[ccfic]

 

ডেস্ক রিপোর্ট,হাকিকুল ইসলাম খোকোন :

জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম ( জেএসএফ) বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতি ও ফেইসবুক লাইভে বলেছেন, আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট। আওয়ামী লীগ সাহাবুদ্দিনকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি এসাইনমেন্ট দিয়ে; খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেয়া, ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর আমলে আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনও প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেওলিয়াত্ব।সংসদ ও প্রশাসনকে ক্রিকেট বোর্ডের মতো পরিবারতন্ত্র বানিয়েছে এই সরকার। নিজের ছেলের স্ত্রী , নিজে এবং আপন বাপ মেয়ে , স্বামী স্ত্রী দিয়ে এখন জাতীয় সংসদের এমপি বানিয়ে এই সরকার পরিবারতন্ত্র সংসদে পরিণত করেছে। জেএসএফ বাংলাদেশ বিবৃতিতে আরো বলেছে ,জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রণীত সনদের পক্ষে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সমর্থন জানিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সনদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো এ সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করলেও বর্তমানে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে। “জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে তা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে। তাই দেরি না করে দ্রুত সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”গণভোটের আগে দীর্ঘ চার মাস সময় থাকা সত্ত্বেও সরকার বা সংশ্লিষ্টরা কেন কোনো আপত্তি তোলেননি। ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ, ২৫ নভেম্বর গণভোটের অধ্যাদেশ, ফেব্রুয়ারিতে ভোট এই পুরো সময়জুড়ে কেউ বলেননি এসব অসাংবিধানিক। অথচ ক্ষমতায় বসেই সবকিছু অবৈধ বলা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্ট দ্বিচারিতা।জুলাই সনদের আড়ালে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, সরাসরি জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে অবস্থান।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT