
ডেস্ক রিপোর্ট,শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ:
ন্যাশনাল তরিকত পার্টি (এনটিপি) দেশের সার্বিক উন্নয়ন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেছে। দলটি সৃষ্টিকর্তার নির্দেশিত পথে চলা এবং সকল ঐশী বাণীবাহক ও ওলি-আউলিয়াদের আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
এনটিপি জানিয়েছে, ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ তরিকতপন্থীদের ওপর যে কোনো ধরনের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। একই সঙ্গে সৃষ্টিকর্তা, ধর্মগ্রন্থ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে কটূক্তি বা অবমাননাকারীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি।দলটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বাউল সংস্কৃতি রক্ষায়ও অগ্রণী ভূমিকা পালনের কথা উল্লেখ করেছে। বাউল গানের নামে অশ্লীলতা প্রতিরোধ এবং প্রকৃত বাউল শিল্পীদের অধিকার সংরক্ষণ, পাশাপাশি দরবার শরীফ ও মাজার শরীফের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি তাদের অন্যতম অঙ্গীকার।এছাড়া ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সকল উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এনটিপি। মাজার ও দরবারসহ সারাদেশে মাদক ও জুয়ার আসর বন্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দলটি। চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি ও ধর্ষণের মতো অপরাধ দমনে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এনটিপি বেকারত্ব দূরীকরণ ও মেধাভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সকলের জন্য কাজের সুযোগ নিশ্চিত করতে চায়। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার, কৃষিপণ্যের সঠিক মূল্য এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীন বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি নারী শিক্ষা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, অসহায় ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে তাদের কর্মসূচিতে।শিক্ষা, খেলাধুলা ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বিকাশ, পুলিশসহ সকল প্রশাসনকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাকে এনটিপি তাদের মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছে।অন্যদিকে, আগামী ১৫/০৫/২০২৬ ইং তারিখে ন্যাশনাল তরিকত পার্টি (এনটিপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের সকল উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যারা ইতোমধ্যে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বা অন্তর্ভুক্ত হতে ইচ্ছুক তরিকতপন্থী ভাই-বোনদের ঢাকার শাহ আলীর মাজারে উপস্থিত থাকার জন্য উদ্বাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।উক্ত সমাবেশে দলীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
