খুলনা, বাংলাদেশ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  এভারকেয়ারে যেতে কামরুল ইসলামের ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট জমা
  অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের
  যে প্রশ্ন শুনে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল সাকিবের হৃদয়
  তামিম ইকবালের কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
  ৪৮ ঘণ্টার ভেতর পুরো দেশে তাণ্ডব চালাবে কালবৈশাখী
  যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা ব্রিটিশ রাজার
  দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
  ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ
  দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস
  আমিরাত কেন ওপেক ছাড়ল

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা ব্রিটিশ রাজার

[ccfic]

ডেস্ক :

ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে দেওয়া এক ভাষণে খুব সূক্ষ্ম; কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি সরাসরি সমালোচনা না করলেও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ভাষণে তিনি গণতন্ত্র, আইনের শাসন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং সহনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।রাজা চার্লস সাধারণত খুব সতর্কভাবে কথা বলেন, যেমন তার মা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ করতেন। তবে এ ভাষণে তিনি তুলনামূলকভাবে সরাসরি ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম নিয়ে সমালোচনা করেননি, তবে তার কিছু নীতির সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তিনি ইউক্রেনকে সমর্থন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্বের কথা বলেন। সিএনএন বলছে, রাজা সূক্ষ্ম; কিন্তু সুন্দরভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিয়েছে। রাজা চার্লস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথা ও কাজ বিশ্বে অনেক প্রভাব ফেলে। তাই দেশটির দায়িত্বও অনেক বড়। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, আমেরিকার উচিত তার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখা। তার এ কথা অনেক ডেমোক্র্যাট নেতার কাছে ভালো লেগেছে, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতো কিছু নেতার সঙ্গে তার মতভেদ থাকতে পারে।রাজা চার্লস তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সম্মানও দেখান। তিনি ট্রাম্পের একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করেন, যেখানে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘অমূল্য’ বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি ইতিহাসের নানা অর্জনের কথাও তুলে ধরেন। এতে তার বক্তব্যের সমালোচনামূলক অংশগুলো কিছুটা নরম হয়ে আসে।এ সফরে ঐতিহাসিক দিক থেকেও অনেক তাৎপর্য ছিল। একসময় ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়ে স্বাধীন হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে দাঁড়িয়ে একজন ব্রিটিশ রাজা গণতন্ত্রের মূল্যবোধের কথা বলছেন—এটা নিজেই এক ধরনের বিপরীতাত্মক পরিস্থিতি। তিনি ম্যাগনা কার্টা ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের কথা উল্লেখ করে আইনের শাসনের গুরুত্ব বোঝান।একই দিনে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সিদ্ধান্তও বিতর্ক তৈরি করে। যেমন, সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কমেইর বিরুদ্ধে মামলা করা এবং নতুন পাসপোর্টে ট্রাম্পের ছবি যুক্ত করার পরিকল্পনা। সমালোচকরা এসবকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন। এ প্রেক্ষাপটে চার্লসের বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

 

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT