
নিজস্ব প্রতিবেদক // খুলনার রূপসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জিএম কামরুজ্জামান টুকু। তিনি রূপসার খাজাডাঙ্গা গ্রামের কৃতি সন্তান ও খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক এর দায়িত্বে সুনামের সাথে আছেন।একজন মানবিক নেতা জিএম কামরুজ্জামান টুকু। যার উপকার না বললে নয়, মোল্লা জাহাঙ্গীর আলমের শিশু মেয়ে ফারিয়া খাতুন অসুস্থ হয়েছিল ২০২৩ সালে। তখন খুলনার কোন হাসপাতালে ভর্তি না করাই পিতা মোল্লা জাহাঙ্গীর খুবই হতাশ হয়ে পড়েন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ করেও অসহায় পিতা। এসময় তার এক ধর্ম আত্মীয়ের মাধ্যমে ও জিএম কামরুজ্জামান টুকুর সহায়তায় মেয়েটিকে খুলনার নার্গিস মেমোরিয়াল হসপিটালে ভর্তি করা সম্ভব হয়েছিল।মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমার ছোট মেয়ে ফারিয়া খাতুন আলহামদুলিল্লাহ, এখন পুরোপুরি সুস্থ ও ভালো আছে। কিন্তু সে দিনের কিছু স্মৃতি আজও মনে পরে। যেমন বর্তমান ক্ষমতাশীল দল, খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক মো. জিএম কামরুজ্জামান টুকুর মানবিক দায়িত্ব ও সহযোগিতা এবং সে সময় আমার পাশে থাকার কথা। তার দল ক্ষমাতায় না থাকলেও আমার বিপদের দিন ঠিকই পাশে ছিলেন।মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, “জিএম কামরুজ্জামান টুকুর সঙ্গে আমার রাজনৈতিক কোন সম্পর্ক নেই, তবে ভাই ভাই সম্পর্ক আছে বা থাকবে আজীবন ইনশাআল্লাহ। তাই আমি বলবো মানবিক নেতা হিসেবে জিএম কামরুজ্জামান টুকু অনেকের থেকে উর্ধ্বে।ইতিমধ্যে জেলা বিএনপি নেতা জিএম কামরুজ্জামান টুকু রূপসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে উপজেলা বাসীর নিকট তুলে ধরেছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন এবং উপজেলা বাসীর নিকট দোয়া ও আর্শীবাদ কামনা করেছেন। পুরো উপজেলা জুড়ে জিএম কামরুজ্জামান টুকুর নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ায় আলোচনার ঝড় উঠেছে।
