খুলনা, বাংলাদেশ | ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  মোল্লাহাটে ১,৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ বিতরণ
  রূপসা উপজেলা নির্বাচনে এগিয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী -রহিমা আক্তার নয়ন.
  খুলনায় সাংবাদিক পরিচয়ে ঘোরাফেরা, অতঃপর বিদেশি পিস্তল সহ আটক
  তেরখাদায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মিলু, জনসমর্থনে এগিয়ে থাকার আলোচনা
  কেএমপি ডিবি’র অভিযানে ওয়ারেন্ট ও সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত ১০ (দশ)টি মামলার আসামী গ্রেফতার
  মোল্লাহাটে মাছ চুরির ঘটনায় গণপিটুনিতে যুবক আহত, চোখ নষ্টের অভিযোগ
  ডুমুরিয়ায় পোকা দমনে আলোক ফাঁদ কার্যকর
  কেশবপুরে ভেজাল দুধ তৈরি করায় ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায়
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  কেশবপুরে এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডুমুরিয়ায় গাছে গাছে আমের সমারোহ: বাম্পার ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন চাষিরা

[ccfic]

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা : 
আমগাছগুলোর ডালে ডালে ঝুলছে কাঁচা সবুজ আমের থোকা। ছোট চারাগাছ থেকে শুরু করে বিশালকায় পুরনো গাছ—কোনোটিই যেন বাদ যাচ্ছে না। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলাজুড়ে এখন এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। ছোট-বড় প্রতিটি আমগাছের ডালে ডালে ঝুলছে কাঁচা সবুজ আমের থোকা। বৈশাখী হাওয়ায় দোল খাওয়া এই আমের সমারোহ কেবল প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়াচ্ছে না, বরং স্থানীয় চাষিদের মনে সঞ্চার করছে বাম্পার ফলনের নতুন আশা। চলতি মৌসুমে উপজেলার সর্বত্রই আমের ব্যাপক ফলন চোখে পড়ছে। বাগান মালিক ও কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক বাগান—সবখানেই আমের রাজত্ব। বিশেষ করে এ বছর ছোট ও মাঝারি আকারের গাছগুলোতেও প্রচুর আম ধরেছে। অনেক ক্ষেত্রে আমের ভারে গাছের ডাল মাটিতে নুয়ে পড়তে দেখা গেছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, মুকুল আসা থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝড় না হওয়ায় আমের গুটিগুলো বেশ পুষ্ট ও নিরাপদ রয়েছে। বর্তমানে বাগানগুলোতে চলছে শেষ সময়ের নিবিড় পরিচর্যা। ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ৩২৭ হেক্টর জমিতে ৩৮০টি আম বাগান রয়েছে। দেশি জাতের পাশাপাশি এবার উন্নত ও নতুন জাতের আমের চাষও বেড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা জানান, কাটিমন, ব্যানানা ম্যাংগো, বারি-১, ২, ৩ ও ৪-সহ নতুন জাতের আমের চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, মিশ্রিভোগ ও হাড়িভাঙ্গা আমেরও ব্যাপক ফলন হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, সঠিক সময়ে সেচ ও বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে এবার আমের গুটি ঝরা অনেক কম হয়েছে। গত বছর ডুমুরিয়ায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয়েছিল, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা এমনকি বিদেশেও রপ্তানি করা হয়েছিল। কর্মকর্তাদের আশা, এবার ফলন আরও ভালো হওয়ায় রপ্তানির এই ধারা আরও শক্তিশালী হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT