
খুলনার সময়ের খবর ডেস্ক :
বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ১১ দলীয় জোট আমরা যে বাংলাদেশ গড়ে তুলবো সেই বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। তিনি স্থানীয় রাজনীতি ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নবীনগরে মাটিতে কোন সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের স্থান হবে না, সাধারণ মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়। গতকাল বুধবার (০৪/০২) বিকেলে নবীনগর সরকারি হাইস্কুল মাঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে ১১দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মুফতি আমজাদ হোসেন আশরাফীর এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে হাসনাত আবদুল্লা এসব কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমাদের দায়বদ্ধতা সাধারণ জনগণের কাছে। আমরা কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ বা মাদকসম্রাটের কাছ থেকে টাকা খাইনি। তাই তাদের কাছে আমরা দায়বদ্ধ নই। কিছু করলে আমাদের জনগণের আদালতে দাঁড়াতে হবে। গত তিনটি নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। মরা মানুষ এসে ভোট দিয়েছে। এর ফলাফল ৫ই আগস্ট জনগণ দিয়েছে। ৫০০-১০০০ টাকার বিনিময়ে ১ দিন ভালো থাকবেন না, ৫ বছর দেশের মালিক হবেন সে আপনাদের সিদ্ধান্ত। প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, আপনারা যদি বাংলাদেশ জনগণের বিরুদ্ধে যান তবে আবার ৫ আগস্ট নেমে আসবে। ভোট চোরদের হাতে যদি দেশ তুলে দেন তাহলে তারা আপনার সন্তানকে গুলি করে হত্যার কথা বলবে। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, নির্লজ্জ মিডিয়া, কিছু কিছু মিডিয়া আছে যারা একটি দলের পক্ষে কাজ করছে, গত ১৭ বছর একটি দলের বন্দনা, প্রশংসা দিয়ে গেছে, আর তারেক জিয়াকে ব্যর্থ হিসাব স্বীকৃতি দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছে, তারা এখন খবরের মাঝে মাঝে বিএনপির প্রচারণা চালায়। আপনারা যদি নিরপেক্ষ না হন তবে জনগণ আপনাদেরকে লাল কার্ড দেখাবে। নির্বাচন প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আপনারা আমার পক্ষে প্রতিদিন অন্তত ১০টি করে ভোট চাইবেন। আগামী ১২ তারিখ উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে যাবেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, দুটি ভোট দেবেন একটি রিকশা প্রতীকে, আরেকটি ‘হ্যাঁ’ ভোট। আগামীর বাংলাদেশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠবে। জনসভায় নবীনগর উপজেলা জামায়েতে ইসলামের আমীর মোখলেছুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট শাখার নির্বাহী সদস্য এড. আবদুল বাতেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা জামায়াতের আমীর মো. মোবারক হোসাইন আকন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খেলাফত মজলিসের নির্বাহী সভাপতি মাইনুল ইসলাম খন্দকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের সংগঠক আবদুল্লা আল মাহমুদ, এনসিপি নেতা কবির মাসুদ, মাওলানা মতিউর রহমান গৌরনগরী, মুফতি মনিরুজ্জামান, ইসলামী ছাত্রশিবিরে সাবেক সভাপতি মাওলানা আমির হোসেন, এডভোকেট শেখ মুকবুল হোসেন প্রমুখ।
