খুলনা, বাংলাদেশ | ২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয়ের খুলনায় আগমন ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভাঃ
  লিবিয়ায় গাদ্দাফির ছেলেকে গুলি করে হত্যা
  শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থীর ইন্তেকাল
  পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫
  জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেল হ্যাকারদের ধরতে অভিযানে ডিবি
  কেশবপুরে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ
  খুলনা ১ দাকোপ – বটিয়াঘায় জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত
  স্মার্ট ভোটার স্লীপের শুভ উদ্বোধন করলেন আজিজুল বারী হেলাল 
  নতুন বাংলাদেশ গড়তে হাতপাখায় ভোট দিন- মুফতী আমানুল্লাহ
  পিটিসি, খুলনায় ৬০তম টিআরসি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যাডমিন):

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫

[ccfic]

খুলনা সময়ের খবরের ডেক্স : পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে টানা তিন দিন ধরে চলা ব্যাপক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর ১৯৭ জন সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। একই সময়ে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন পাকিস্তানি সেনা। সন্ত্রাসী হামলা ও পরবর্তী অভিযানে শিশুসহ ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৫ জনে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের খবরে জানানো হয়, ৩১ জানুয়ারি বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) প্রদেশের ১২টি শহর ও জনপদে একযোগে হামলা চালায়। এসব হামলায় ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। ঘটনার পরপরই প্রদেশজুড়ে সেনা অভিযান শুরু হয়। সপ্তাহান্তে কোয়েটা, মাস্তুং, নুশকি, দালবান্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, টুম্প, গোয়াদার ও পাসনিসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ওপর আরও হামলার খবর পাওয়া যায়। নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ মোট ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।হামলার পর পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু করে। অভিযানের প্রথম ধাপে পাকিস্তান সরকারের ভাষায় ‘ভারত-সমর্থিত জঙ্গি’ ৯২ জন নিহত হয়, যাদের মধ্যে তিনজন আত্মঘাতী হামলাকারী ছিল।দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর জঙ্গিরা নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১৮ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল বেলুচিস্তানের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।আইএসপিআর আরও জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। তবে তীব্র সংঘর্ষ ও দীর্ঘস্থায়ী মুখোমুখি লড়াইয়ে ওই দিন ১৫ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT