খুলনা, বাংলাদেশ | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  গোমস্তাপুরে ৭ লিটার চোলাইমদসহ নারী গ্রেফতার
  ঈদগাঁও ৩নং ওয়ার্ড যুব বিভাগের কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা সভা
  মা ও শিশু পুষ্টি নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা কেসিসি’র দায়িত্ব
  ডুমুরিয়ায় গ্রীন ফোর্সের উপজেলা কমিটি, আহ্বায়ক ফয়সাল ও সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর
  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা

ভেজাল খেজুর গুড়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

[ccfic]

সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার :

প্রকৃতিতে কুয়াশার চাদর গায়ে দিয়ে শীত ঋতু দিচ্ছে হাতছানি। উত্তরে মৃদু বাতাসের সঙ্গে বয়ে আসছে শীতের ঘ্রাণ। গ্রামগঞ্জে বাড়ি বাড়ি তৈরি হচ্ছে শীতের পিঠাপুলি। শহরের আঙিনায় বসতে শুরু করেছে পিঠার দোকান। কেউ পিঠা বিক্রি করে অর্থ রোজগার করছে; কেউ ধোঁয়া ওঠা পিঠা খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে। এই শীতে পিঠা তৈরির অন্যতম উপাদান খেজুর গুড়। খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় পিঠায় স্বাদ ও ঘ্রাণ এনে দেয়। দেশে খেজুর গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে  কমেছে, কিন্তু খেজুর গুড়ের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক। তাহলে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, বাড়তি এই খেজুর গুড়ের চাহিদা মিটছে কোথা থেকে? মূলত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোকচক্ষুর আড়ালে ভেজাল দ্রব্য ও কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে খেজুর গুড়। স্বাদে-ঘ্রাণে খেজুর গুড়ের মতো হলেও আদতে এগুলো মানবদেহের জন্য বিষ। খেজুর গুড়ে ব্যবহৃত ভেজাল ও কেমিক্যালের মধ্যে রয়েছে কলের চিনি, কৃত্রিম রং, ময়দা বা আটা, চিটাগুড়, থিকনার, স্যাকারিন, ফ্লেভার, ইউরিয়া, ক্ষতিকর লবণ ইত্যাদি। এমনও দেখা যাচ্ছে, খেজুর গুড়ের মধ্যে খেজুরের রসের অস্তিত্বই নেই। এ ধরনের খেজুর গুড় বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।এসব অখাদ্য ভক্ষণের ফলে কিডনি, লিভার, হৃদরোগসহ ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে। এ ছাড়া পেটের পীড়া, বমি তো রয়েছেই।খেজুর গুড় বাংলার একটি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। তবে এই ভেজাল গুড়ের ছড়াছড়ির জন্য সচেতন মহলে খেজুর গুড়ের প্রতি অনীহা বেড়েছে। আশঙ্কাহীনভাবে সন্ধ্যায় শহরের রাস্তার মোড়ে কিংবা গ্রামের মানুষ খেজুর গুড়ের পিঠা খেয়ে যেন তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে পারে, সে ব্যাপারে প্রশাসনের উদ্যোগী হতে হবে। ভেজাল গুড় উৎপাদন যে কোনো মূল্যে বন্ধ এবং বাজার থেকে ভেজাল গুড় অপসারণ করতে হবে। ভেজাল গুড় উৎপাদন ও অপসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানোর নিশ্চয়তা দিতে হবে। খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। খেজুর গুড়ের উৎপাদন সম্প্রসারণ ও বাণিজ্যিকীকরণে উদ্যোগী হতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাজ হতে হবে দৃশ্যমান।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT