
অনুপম মল্লিক ও জি. এম. ফিরোজ ডুমুরিয়া
খুলনার ডুমুরিয়ার চেচুড়ী কে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তিন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে লাখ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে সাবেক সভাপতি মো. আনিচুর গাজীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নবগঠিত এডহক কমিটি ও এলাকাবাসীর মতামতের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেবে—নিয়োগে আদৌ কোনো আর্থিক অনিয়ম হয়েছে কি না।বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এস. এম. হুমায়ূন কবির স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নবনির্বাচিত কমিটি ও অভিভাবক মতবিনিময় সভায় বিষয়টি উঠে আসে। বক্তারা বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।সভায় তৎকালীন কমিটির সদস্য শিক্ষক নাজমুল নাহার বলেন, তিনজনের নিয়োগে টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তৎকালীন সভাপতির কাছে জানতে চাইলেও সন্তোষজনক উত্তর পাননি। শিক্ষক বাদশা গাজী নিয়োগে টাকা লেনদেনের কথা দাবি করে বলেন, বিল পাসের সময় তিনি তৎকালীন সভাপতির কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়েছিলেন। তবে শিক্ষক সেলিম রেজা জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, তা তিনি সম্পূর্ণ জানেন না।অভিযোগের বিষয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন মেহেদী, সোনিয়া ও জবা জোদ্দার টাকা লেনদেনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।সভায় বক্তব্য রাখেন ভবদহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. ইকবাল হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন গাজী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বি.এম. কামরুজ্জামান ও সমাজসেবক-ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রশিদ।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে তৎকালীন সভাপতি মো. আনিচুর গাজীর সঙ্গে বার বার তার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেই অভিযোগের প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
