
মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :
খুলনার রূপসায় মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের এক ছাত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের গরুর হাট সংলগ্ন দারুস সালাম জামে মসজিদের হেফজখানায় মো. আব্দুল্লাহ নামের ১২ বছরের এক ছাত্র পড়াশোনা করে। তার পিতা মো. ইসরাইল হোসেন।অভিযোগে বলা হয়, গত ০৫/০৮/২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ৩টা৩০ ঘটিকার সময় সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মো. মিজানুর রহমান ওই ছাত্রের মুখমন্ডলের ডান পাশে ঘুষি মেরে নীলা ফোলা জখম করেন। এরপর পিঠের দিকে মেরুদন্ডের উপরে মেরে কালশিরা ফোলা জখম করেন। পাশাপাশি এলোপাতাড়ি চড়, কিল ও ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নীলা ফোলা জখম করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।ছেলের চিৎকারে সহপাঠী ও মসজিদের মুসল্লিগণ ঘটনা জানতে পারেন। পরে আহত ছাত্র বাসায় এসে পরিবারকে বিষয়টি জানালে তাকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। ভুক্তভোগীর পিতা মো. ইসরাইল হোসেন বলেন,ঘটনার পর আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলোচনা করে থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছি। আমার ছেলেকে মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মো. মিজানুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রূপসা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা বলছেন, মাদ্রাসায় শিশুদের শাসনের নামে শারীরিক নির্যাতন বন্ধ হওয়া উচিত। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
