খুলনা, বাংলাদেশ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  নগরীতে ট্রেনের ধাক্কায় দুইজনের মৃত্যু
  প্রবাস আয় এক বছরে বেড়েছে ১৭.৩০ শতাংশ
  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া।
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায়
  খর্নিয়ায় ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক ইটের সলিং নির্মাণের অভিযোগ
  ঈদগাঁওয়ে চোলাইমদসহ তিন জনকে কারাদণ্ড 
  ঈদগাঁওতে ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে, প্রতীমার কাজ চলমান  নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় শারদীয়া দুর্গোৎসব। ১৬ অক্টোবর থেকে সারাদেশের ন্যায় ঈদগাঁওতেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসব। জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের সনা তনী সম্প্রদায়ের লোকজন শারদীয়া দুর্গোৎসব পালন করবেন ব্যাপক উৎসাহমুখর পরিবেশে। আর কয়টা দিন পার হতে না হতে বিভিন্ন মন্দিরে সাজসজ্জাসহ ডেকোরেশনের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও এক সূত্রে জানায়। তবে কিছু মন্দিরে প্রতীমা তৈরী কাজ প্রায় শেষের দিকে, কিছুতেই প্রতীমা তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। এদিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদের হিন্দুপাড়া, বাজারের কেন্দ্রীয় কালী মন্দির, ইসলামাবাদের হিন্দুপাড়া,হরিপুর, ঈদগাঁওর পালপাড়া, চৌধুরী পাড়া,বঙ্গিম বাজার এলাকা প্রতিবছর শারদীয়া দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সনাতনীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে নারী পুরুষ,তরুন-তরুনীরা ব্যাপক আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠে। এছাড়াও শারদীয়া দুর্গোৎসব সফল এবং স্বার্থক করতে মন্দির ভিত্তিক নানান কমিটিও গঠন করা হয়।  সূত্রে জানা যায়, এই বছর ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১৭টিতে প্রতীমা পূজা ও ১২টিতে ঘট পূজা হতে যাচ্ছে।  জালালাবাদের হিন্দুপাড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বিকাশ কান্তি দে জানান, প্রতীমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ। আর কিছুদিন পর ডেকোরেশনসহ সাজসজ্জার কাজ শুরু হবে।  ঈদগাঁও চৌধুরী পাড়ার পল্লী চিকিৎসক মিন্টু জানান,শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতীমা তৈরীর কাজ চলমান। তবে এখনো শুরু হয়নি সাজসজ্জাসহ সৌন্দর্য্যের কাজ।  ঈদগাঁও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক মেম্বার বাবুল কান্তি দে মুঠোফোনে জানান, এবাবের দুর্গোৎসবে ঈদগাঁও উপজেলায় ১৭টি প্রতীমা পূজা, ১২টি ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ অক্টোবর থেকে এই শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।
  ঈদগাঁওতে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপও চুরির প্রবণতা বৃদ্ধি 
  ফার্নিচার পল্লীখ্যাত ঈদগাঁওর বাঁশঘাটা সড়কে ময়লা আবর্জনার ভাগাড় 

মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা আতঙ্ক’, শেষে যা মিললো

[ccfic]

ডেস্ক :

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শনিবার সকালে বোমা সদৃশ দুটি পরিত্যক্ত বস্তু পাওয়ার ঘটনায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুটি বস্তুতেই কোনো বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একই সঙ্গে নগরবাসীকে গুজবে কান না দিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।ডিএমপি জানায়, খবর পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।ডিএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) নিয়াজ মেহেদী বলেন, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে একটি সন্দেহজনক ব্যাগে বোমা রয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। এক্স-রে পরীক্ষায় ব্যাগের ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তু শনাক্ত হওয়ার পর স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে সেটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়। পরে ব্যাগ খুলে দেখা যায়, ভেতরে ছিল একটি জর্দার কৌটা ও পান। সেখানে কোনো বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি।অপরদিকে, তেজগাঁও থানাধীন ফার্মগেট এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে ঘিরেও বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরেও কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু নেই।ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক কোনো বস্তু বা পরিস্থিতি দেখলে আতঙ্ক ছড়িয়ে না দিয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।এরআগে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মিরপুর-১০ স্টেশনে বোমা রাখা হয়েছে—এমন সন্দেহের পাশাপাশি একই সময়ে ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচেও একটি পরিত্যক্ত বস্তা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্যস্ততম এই দুই স্টেশনে রহস্যময় বস্তুর উপস্থিতিতে যাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ডিএমপির সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনের আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।সেসময় ডিএমপির মিরপুর জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফারজিনা নাসরিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ একটি বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT