খুলনা, বাংলাদেশ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

খুলনায় পারভীন হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :

খুলনার বহুল আলোচিত এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং বাধা দেওয়ায় তার বাবা ইলিয়াস চৌধুরী হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছে উচ্চ আদালত। তবে ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) হাইকোর্টের ২৯ নম্বর বিশেষ বেঞ্চে বিচারপতি বিশ্বদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাসেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সাইফুল ইসলাম পিটিল, তার ভাই শরিফুল ইসলাম, মো. লিটন, আজিজুর রহমান পলাশ ও আবু সাঈদ। মামলার সব আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার বুড়ো মৌলভীর দরগা এলাকায় এক্সিম ব্যাংকের খুলনা কালীবাড়ি শাখার ক্যাশ কর্মকর্তা পারভীন সুলতানাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ওই এলাকার ৫ সন্ত্রাসী। বাধা দেওয়ায় তার বাবা ইলিয়াস চৌধুরীকেও হত্যা করা হয়।এ ঘটনায় নিহত ইলিয়াছ চৌধুরীর ছেলে রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব বাদী হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর লবণচরা থানায় হত্যা এবং ২২ সেপ্টেম্বর ধর্ষণ মামলা করেন।হত্যাকাণ্ডের চার বছর পর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মো. মহিদুজ্জামান দুই মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পরবর্তীতে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।রায় ঘোষণার পর মামলার বাদি রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “১১ বছর পর আদালতের বারান্দায় ঘুরছি। এবার রায়ের বাস্তবায়ন দেখতে চাই।বাদীর পক্ষে প্রথম থেকে আইনি সহযোগিতা দেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এই রায়ে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে। ন্যায়বিচারের এই দীর্ঘ যাত্রায় যারা পাশে ছিলেন- সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা।আইনজীবীরা বলছেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার পেল।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT