
ডেস্ক :
অদ্য ১১ জুন ২০২৬ তারিখ বেলা ১১.০০ ঘটিকায় কেএমপি হেডকোয়র্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা মহোদয়! সভায় সম্মানিত কমিশনার মহোদয়, ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে দৃশ্যমান ও জনগণের সরাসরি মূল্যায়নের আওতাভুক্ত ইউনিট হলো ট্রাফিক বিভাগ। তাই ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি সদস্যকে সর্বদা সততা, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, ধৈর্য ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয়। তিনি বলেন, বর্তমানে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ না আসা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত ও অর্জন, এই সুনাম ভবিষ্যতেও অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। কোনো রিকশাচালক, চালক বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা যাবে না বরং জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল, সহানুভূতিশীল ও সেবামূলক মনোভাব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ, কারণ তাদের প্রতিটি কার্যক্রম, জনগণ সরাসরি প্রত্যক্ষ ও মূল্যায়ন করে থাকেন আর এজন্যই ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি সদস্যকে সর্বদা সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং ধৈর্যের সাথে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা প্রদান করেন। অতঃপর গত এক মাসে প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার জন্য ০১ জন পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন), ৫ জন সার্জেন্ট/টিএসআই, ০৫ জন এটিএসআই এবং ২০ জন কনস্টেবলকে আর্থিক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তিনি আরোও জানান, ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা সকল পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে। এসময় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) জনাব মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব শফিকুল ইসলাম-সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
