খুলনা, বাংলাদেশ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  সুইপারের মা-হারা কনের বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি
  খুলনায় বস্তাবন্দি লাশের রহস্য উন্মোচন: পরিচয় শনাক্তের পর ঘাতক গ্রেফতার
  মৌলভীবাজারে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট: দিনে-রাতে অন্ধকারে জনজীবন বিপর্যস্ত, ক্ষতির মুখে ব্যবসা
  উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ থাকবে
  ‎দিঘলিয়ায় মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে উত্তেজনা, আটক ১
  পরীক্ষা উপলক্ষে বারসাত ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন মিল্টন মুন্সী
  বীরগঞ্জে মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বাড়িঘরে আগুন, সন্ত্রাসী হামলার মামলায় ২ জন গ্রেফতার
  বীরগঞ্জে মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বাড়িঘরে আগুন, সন্ত্রাসী হামলার মামলায় ২ জন গ্রেফতার.
  বিমানবন্দর রেলস্টেশনে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত, ইনচার্জ হারুন উর রশিদ
  তেরখাদায় নতুন ইউএনও তাহমিনা সুলতানা নীলা’র যোগদান, জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার অঙ্গীকার

খুলনায় বস্তাবন্দি লাশের রহস্য উন্মোচন: পরিচয় শনাক্তের পর ঘাতক গ্রেফতার

[ccfic]

ডেস্ক রিপোর্ট: খুলনার রূপসা এলাকায় নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি অজ্ঞাতনামা মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি দীর্ঘ আট মাস পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), খুলনা। এ ঘটনায় জড়িত দ্বীন ইসলাম শেখ নামের এক আসামিকে বরিশাল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি ইতিমধ্যে আদালতে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে খুলনা জেলার রূপসা নৌ পুলিশ কাজীবাছা নদীর পাড় থেকে একটি বস্তাবন্দি অজ্ঞাতনামা পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় না মেলায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার মোঃ শফিকুল ইসলাম (৫৪)।শফিকুল ইসলাম নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি আদালতের নির্দেশে তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই, খুলনা। তদন্তে বেরিয়ে আসে, গত ২০ আগস্ট ২০২৫ রাতে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে শফিকুল ইসলামকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ইটের বস্তায় ভরে ভৈরব নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার অন্যতম আসামি দ্বীন ইসলাম শেখের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বরিশাল মহানগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে যে, অর্থের প্রলোভনে পড়ে সে অন্য আসামিদের সঙ্গে মিলে মরদেহ নদীতে ফেলতে সহায়তা করেছিল।পিবিআই আরও জানান, মামলার মূল রহস্য উদঘাটিত হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT