খুলনা, বাংলাদেশ | ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক জখম
  এখন থেকে হরমুজ প্রণালির টোল দিতে হবে ইরানি মুদ্রায়
  জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ
  নতুন মাইলফলকের সামনে মেসি
  আধুনিক তেরখাদা গড়ার লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী- খাকী ইকবাল হোসেন.
  খুলনা প্রেসক্লাব নির্বাচন: ১৫ পদে ৮৫ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
  ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধ চলবে’
  কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কৃষকের ব্যপক ক্ষতি
  আবার পূর্ণমাত্রায় চালু হচ্ছে ইরানের সব ব্যাংক শাখা
  হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন!

কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কৃষকের ব্যপক ক্ষতি

[ccfic]

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ের কৃষকের ব্যপক ক্ষতি ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল-২৬) রাত ৯টার দিকে হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ জমে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়। অল্প সময়ের এই ঝড়েই উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের মাঠভর্তি আধাপাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।বৃহস্পতিবার সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার মূলগ্রাম, ভবানীপুর, হাবাসপোল, বেগমপুর, দোরমুটিয়া, বেলকাটি ও পাঁজিয়া অধিকাংশ জমির ২৮ জাতের ধান পড়ে গেছে। কোথাও পুরো ক্ষেত মাটিতে লেগে গেছে, আবার কোথাও আংশিকভাবে হেলে পড়েছে। ফলে ধানের শীষ মাটির সংস্পর্শে আসলে এবং বর্ষার পানি জমলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে।উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের কৃষক হুমায়ূন কবির, আব্দুস সামাদ ও আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আকস্মিক এই ঘূর্ণিঝড়ে তাদের ক্ষেতের ধান পড়ে গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, পড়ে থাকা ধান দ্রুত কাটা না গেলে চিটা হয়ে যেতে পারে এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। একই চিত্র বেলকাটি গ্রামেও। কৃষক শহিদুজ্জামান বলেন, চোখের সামনে সব ধান মাটিতে লুটিয়ে আছে। ঝড়ে পড়ে যাওয়া ধান চিটে হয়ে যায়। এই ধানই ছিল আমাদের সারা বছরের ভরসা। অনেক কষ্ট করে জমি চাষ করেছি, ঋণ নিয়ে সার-বীজ কিনেছি। এখন বড় দুশ্চিন্তায় আছি। অধিকাংশ কৃষক জানান, ঝড়ের সময় বাতাসের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেতেই শক্ত গাছও টিকে থাকতে পারেনি। তবে এ পরিস্থিতিতে কিছুটা আশার কথা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান পড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ ধান পাকার কাছাকাছি থাকায় চিটা হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম।’ তিনি আরও জানান, ‘জমির উর্বরতা বেশি হওয়া এবং অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে ধানের গাছ নরম হয়ে যায়, যা ঝড়ে সহজে পড়ে যায়। তবে দ্রুত ধান কেটে ফেলতে পারলে ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। মাটিভেদে সার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও ক্ষেয়াল করার প্রয়োজন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT